120

সাবিত রিজওয়ান 

 

আমার মতে সংবাদমাধ্যম একটি রাঙ্গাচেরাগের ন্যায়! যা দূর্নীতি, অপরাধ, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন করার লক্ষ্যে আমাদের সহয়তা করে। মানুষের প্রয়োজন মিটাতে যে তথ্যগুলোর প্রয়োজন হয়, প্রায় তাই দেওয়ার চেষ্টা করে এই মাধ্যম। যেখানে প্রকাশিত হয় শিল্প, খেলাধুলা, অর্থনীতি, রাজনীতি, আন্তর্জাতিক, সরল-জটিল ইত্যাদি সংবাদ। এতে সাংবাদিক কখনো কারো হুমকি, ঈর্ষা ও নানা অঘটনের মুখোমুখি হয়। সংবাদ সংগ্রহ করতে কারো জীবনও ঝরে যায়। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাংবাদিকরা সবার ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয় খোলা চিঠি। এটি আধুনিক বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। অনেক সময় বাসিয়া/ভূয়া সংবাদের ফলে মানুষ বিভ্রান্তিতে পড়ে। একজন সাংবাদিকের কর্তব্য এগুলো থেকে দূরে এসে সকলের নিকট তাজাখবর পৌঁছে দেওয়া। সংবাদমাধ্যমে কাজ করার যোগ্যতা-মানসিকতা সবার থাকেনা। অনেক সময় পত্রিকা অর্থিক সংকটে পড়ে, কখনো বিজ্ঞাপনের অভাব হয়, এগুলো কজনেই-বা সামাল দিতে পারে! তবু কেউ সামাল দিয়ে নিজের মাঝে মিশুক স্বভাব রেখে, ধৈর্য ও সাহসীকতার সাথে সংবাদমাধ্যম পরিচালনা করে। আপনাদের অবশ্যই মনে আছে মুক্তিযুদ্ধে কতটা প্রয়োজন ছিল গণ-সংবাদমাধ্যমের, সাংবাদিকদের সেই অবদানকে অস্বীকার করা মুসকিল। আজকে ‘দৈনিক নয়া কন্ঠ’কে নিয়ে লিখতে বসেছি, যে পত্রিকাটি সমাজকে সচেতন রাখতে কুসংস্কার দূর করে সংস্কার আনার লক্ষ্যে অনবরত চাঞ্চল্যকর অনুসন্ধান করেই চলছে। ইদানীন্তন, ভবিষ্যতের আভাস, অতীতে যা ঘটেছিল অর্থাৎ অজানা খবর প্রকাশিত করায় এটির অঙ্গীকার। স্বাধীনতা, সমাজের হাসি-কান্না, শিক্ষানীয় আলো জ্বালাতে সাংবাদিকরা আপ্রাণ চেষ্টা করে। সমাজের ভাল-মন্দ, প্রতিভা-পরিশ্রম, প্রেম-প্রতিবাদের প্রতীক দৈনিক নয়া কন্ঠ।

By Md. Rejon Mia

দৈনিক জনকামনা (Daily JonoKamona)-এর সম্পাদক ও প্রকাশক। সত্য, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন এবং জনস্বার্থ প্রকাশে দৃঢ়ভাবে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। অনলাইন ও ডিজিটাল গণমাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে আসছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You missed