• শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম:
এ দেশ আমার স্বদেশ আমার ফনিন্দ্র সরকারের ৬৯তম জন্মদিন আজ আমেরিকান প্রবাসী আনছারুল ইসলামের ফেইসবুক পোষ্ট নিয়ে বিব্রত উত্তরবঙ্গবাসী ডাক অধিদপ্তরের আওতাধীন সকল কার্যালয় ও পোস্ট অফিসকে ধূমপান ও তামাকমুক্ত ঘোষণা জগন্নাথপুরে ঘরজামাই ইমরান মোল্লার মিথ্যা মামলায় জামিনে মুক্তি পেলেন সাংবাদিক ইয়াকুব মিয়া নরসিংদীতে সাবেক বিএনপি মহাসচিব আবদুল মান্নান ভূঁইয়ার ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত। জাকের পার্টি মৃত্তিকা খনন ফ্রন্টের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত বাংলাদেশের জন্য অনন্য অর্জন মহেশখালীর আশেক ওসমানীর নিয়ামতপুরে সাড়ে ৪ লাখ টাকার সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রিফাতের চাঁদাবাজি ও সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের ছায়া: পাকিস্তানের সেনা ও যুদ্ধবিমান চায় কুয়েত

Sabit Rizwan / ২২ Time View
Update : শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬

37

ডেস্ক রিপোর্ট

​ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তাব্যবস্থায় বড় ধরনের ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে। এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পাকিস্তানের সঙ্গে একটি বড় ধরনের প্রতিরক্ষা চুক্তি করতে জোর আলোচনা চালাচ্ছে কুয়েত। বিনিময়ে দক্ষিণ এশিয়ার পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশটিতে জ্বালানি সহযোগিতা ও বড় অঙ্কের বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে তারা।

​বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

​হাজার হাজার সেনা ও ড্রোন মোতায়েনের অনুরোধ

একজন পাকিস্তানি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, কুয়েত তাদের দেশে হাজার হাজার পাকিস্তানি সেনা মোতায়েন করতে চায়। সেনা মোতায়েনের পাশাপাশি পাকিস্তানের কাছ থেকে আধুনিক যুদ্ধবিমান, ড্রোন ও বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সহ সামগ্রিক সামরিক সহায়তা চেয়েছে উপসাগরীয় এই দেশটি। তবে দুই দেশের মধ্যে এই আলোচনাটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে বলে জানা গেছে।

​ইরানের হামলা ও কুয়েতের সামরিক দুর্বলতা

চলমান যুদ্ধে ইরানের পাল্টা হামলায় তেলসমৃদ্ধ কুয়েত মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে। গত শুক্রবারও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কুয়েতের একটি প্রধান বিদ্যুৎ ও পানি শোধন কেন্দ্র ধ্বংস হয়ে যায়। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে কুয়েত খুব সহজেই ইরান এবং ইরাকি মিলিশিয়াদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে। মাত্র ৫০ লাখ জনসংখ্যার এই দেশটিতে বর্তমানে প্রায় ১৪ হাজার মার্কিন সেনা এবং দুটি বড় মার্কিন ঘাঁটি (ক্যাম্প আরিফজান ও আলি আল-সালেম) থাকা সত্ত্বেও তারা নিজেদের নিরাপদ মনে করছে না।

​উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন বিকল্প পাকিস্তান?

কুয়েতের এই পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। এর আগে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে সৌদি আরবও পাকিস্তানের সঙ্গে একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করেছিল। রয়টার্সের তথ্যমতে, সৌদি আরবে ইতোমধ্যে পাকিস্তানের ৮ হাজার সেনা, এক স্কোয়াড্রন যুদ্ধবিমান এবং একটি চীনা বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা মোতায়েন রয়েছে। সৌদি আরবের পর কুয়েতের এই উদ্যোগ প্রমাণ করে যে, উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের বিকল্প বা সহযোগী সামরিক শক্তি হিসেবে পাকিস্তান ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে উঠছে।

​ইসলামাবাদের জন্য বড় ঝুঁকি

যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা অংশীদার হওয়ার পাশাপাশি ইরানের সাথেও পাকিস্তানের সুসম্পর্ক রয়েছে। এই সুসম্পর্কের কারণে পাকিস্তান এতদিন মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করলেও, কুয়েতের সাথে পূর্ণাঙ্গ প্রতিরক্ষা চুক্তি করা ইসলামাবাদের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। কারণ, ইরানের ওপর সৌদি আরবের যে রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে, সামরিক দিক থেকে দুর্বল কুয়েতের তা নেই। ফলে কুয়েতে সেনা মোতায়েন করলে ইরানের সাথে পাকিস্তানের সরাসরি দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
bdit.com.bd