• মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম:
নরসিংদীতে সাবেক বিএনপি মহাসচিব আবদুল মান্নান ভূঁইয়ার ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত। জাকের পার্টি মৃত্তিকা খনন ফ্রন্টের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত বাংলাদেশের জন্য অনন্য অর্জন মহেশখালীর আশেক ওসমানীর নিয়ামতপুরে সাড়ে ৪ লাখ টাকার সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রিফাতের চাঁদাবাজি ও সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ দুই যুগ পর প্রাণের টানে একত্রিত খুলনা আর্ট কলেজের ২০০২ সালের ব্যাচ আবেগ, স্মৃতি, বন্ধুত্ব ও ভালোবাসায় মুখর পুনর্মিলনী–২০২৬ জগন্নাথপুর সাংবাদিক ফোরামের ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী কমিটি গঠন বকশিবাজারে ২৬ জুলাই পবিত্র এগারো শরীফ মেহফিল ইতালি পাঠানোর নামে লিবিয়ায় পাচার ও নির্যাতনের অভিযোগে জগন্নাথপুর থানায় মামলা দায়ের ইতিহাস ভুলে যাওয়া যায় না

​বটিয়াঘাটায় পিআইও সেলিম মিয়ার বিরুদ্ধে অর্থ বাণিজ্য ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ

Sabit Rizwan / ৪১ Time View
Update : সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬

72

​স্টাফ রিপোর্টারঃ

খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. সেলিম মিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থ বাণিজ্যের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে তিনি নানা কৌশলে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে একাধিক স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বটিয়াঘাটা পিআইও দপ্তর থেকে বরাদ্দকৃত সব ধরনের উন্নয়ন প্রকল্পের ৩০ শতাংশ টাকা প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটিকে (পিআইসি) উৎকোচ হিসেবে দিতে বাধ্য করছেন তিনি। এছাড়া প্রতিটি প্রকল্পের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে মাটি কাটার ভেকু, বালুসহ যাবতীয় নির্মাণসামগ্রী তার নির্ধারিত স্থান থেকে চড়া মূল্যে কিনতে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। কোনো কমিটি এই উৎকোচ দিতে বা তার কাছ থেকে মালামাল কিনতে অস্বীকৃতি জানালে উক্ত প্রকল্পের বিল বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে ভুক্তভোগীরা জানান। স্থানীয়দের দাবি, নিজেকে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী দাবি করে তিনি বিভিন্ন মহলে দম্ভোক্তি প্রকাশ করেন, যার কারণে কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পায় না।
​সম্প্রতি কাজিবাছা নদীর স্রোতের তোড়ে উপজেলা বাজার সংলগ্ন সদরের বেড়িবাঁধের ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য) প্রকল্প থেকে ৪ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয় (যার প্রতি টন চালের বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা)। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, এই ভাঙন রোধে নির্দিষ্ট মানসম্পন্ন (০৮ নম্বর) বালু বস্তায় ভরে ফেলার কথা ছিল। কিন্তু প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সেই নিয়ম উপেক্ষা করে নদীর সাধারণ বালু দিয়ে তড়িঘড়ি করে নামমাত্র কিছু বস্তা ফেলে কাজ শেষ করেন। ফলে বস্তাগুলো ফেলার পরপরই পুনরায় নদীর স্রোতে ভেসে যাচ্ছে।
​নিয়ম অনুযায়ী, প্রকল্প এলাকায় বরাদ্দের পরিমাণ ও কাজের বিবরণ সম্বলিত একটি দৃশ্যমান সাইনবোর্ড টানানোর বাধ্যবাধকতা থাকলেও সেখানে এর কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। কোনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে তিনি মোটা অঙ্কের সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করেছেন বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
​এসব অভিযোগের বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. সেলিম মিয়া তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
​সরকারি অর্থের এমন অপচয় ও অনিয়মের প্রতিকার চেয়ে বটিয়াঘাটার সর্বস্তরের জনগণ ও ভুক্তভোগী এলাকাবাসী স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ ও তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
bdit.com.bd