• রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৩:০৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম:
বিশ্বকাপের মাঠ কাঁপাতে মেসিদের জন্য যাচ্ছে ৫০০ কেজি গরুর মাংস! জগন্নাথপুরে পানিতে ডুবে নারীর মৃত্যু ​১১ বছরের অবসর ভেঙে পেশাদার ফুটবলে রোনালদিনহো! চুক্তি করলেন ইতালির ক্লাবের সাথে ধর্মপাশায় ৩৮ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক, গ্রামবাসীর হাতে তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে ডিমলায় মানববন্ধন ​রাজধানীতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুমড়ে-মুচড়ে গেল প্রাইভেট কার, অলৌকিকভাবে অক্ষত আরোহীরা ইউরোপে নেওয়ার প্রলোভন: লিবিয়ায় গিয়ে নিখোঁজ বহু তরুণ, উৎকণ্ঠায় পরিবার দ্রুত তিস্তা মহা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আশ্বাস তিন মন্ত্রীর পরিদর্শন ফকিরহাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবার নামে ভোগান্তি: জনবল সংকট ও অপরিচ্ছন্নতায় রোগীরা অতিষ্ঠ ​ জমি না দিলে অপহরণ ও খুনের হুমকি, বটিয়াঘাটায় সংবাদ সম্মেলন ​

বিশ্বকাপের মাঠ কাঁপাতে মেসিদের জন্য যাচ্ছে ৫০০ কেজি গরুর মাংস!

Sabit Rizwan / ২২ Time View
Update : শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬

​ক্রীড়া প্রতিবেদক

​ফুটবল বিশ্বকাপ মানেই শুধু মাঠের ভেতরের ট্যাকটিকস আর বল দখলের লড়াই নয়; দলের চূড়ান্ত প্রস্তুতির অংশ হিসেবে খেলোয়াড়দের খাবার ও পুষ্টি ব্যবস্থাপনাও সমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সেই ধারাবাহিকতায় উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিতব্য ২০২৬ বিশ্বকাপেও নিজেদের খেলোয়াড়দের সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স, শারীরিক সক্ষমতা ও মানসিক স্বস্তি বজায় রাখতে ঐতিহ্যবাহী খাবারের ওপরই ভরসা করছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।

​আর্জেন্টাইনদের সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার সাথে মিশে থাকা জনপ্রিয় ঐতিহ্যবাহী খাবার হলো ‘আসাদো’, যা মূলত কয়লার আগুনে সেঁকা বা বারবিকিউ করা গরুর মাংস। দেশটির ফুটবলারদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এই বিশেষ খাবারের গুরুত্ব অপরিসীম। খেলোয়াড়দের পরিচিত খাদ্যাভ্যাস ধরে রাখতে টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই বিভিন্নভাবে প্রক্রিয়াজাত ও নিখুঁতভাবে কাটা ৫০০ কেজি প্রিমিয়াম কোয়ালিটির গরুর মাংস যুক্তরাষ্ট্রের কানসাসে অবস্থিত আর্জেন্টিনার বেসক্যাম্পে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

​তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যেকোনো ধরনের খাদ্যপণ্য আমদানির ক্ষেত্রে অত্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে। তাই দেশটির ‘ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’ (এফডিএ)-এর যাবতীয় কড়া নীতিমালা ও আইনি প্রক্রিয়া মেনেই এই বিশাল মাংসের চালানটি আর্জেন্টাইন ক্যাম্প পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়েছে। এর আগে ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ে যৌথভাবে প্রায় ৯০০ কেজি মাংস মধ্যপ্রাচ্যের মরুভূমিতে নিয়ে গিয়ে বিশ্বজুড়ে শোরগোল ফেলে দিয়েছিল।

​খাদ্য প্রস্তুতির এই অভিনব আয়োজনে অবশ্য কেবল ল্যাটিন আমেরিকার দলগুলোই এগিয়ে নেই, সমান তালে টেক্কা দিচ্ছে ইউরোপীয় দলগুলোও। উদাহরণস্বরূপ, নরওয়ে দল তাদের খেলোয়াড়দের শতভাগ ফিটনেস ও পুষ্টি নিশ্চিত করতে নিজেদের দেশ থেকে ৩০০ কেজি স্যামন মাছ, ৬০০টি তাজা কমলা এবং ১১৬ কেজি ঐতিহ্যবাহী পনির সরাসরি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে গেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মেগা টুর্নামেন্টে ঘরের পরিবেশ ও চেনা খাবার খেলোয়াড়দের মানসিকভাবে ফুরফুরে রাখে। ফলে এবারের বিশ্বকাপে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি দলগুলোর এমন মনস্তাত্ত্বিক ‘খাদ্য কূটনীতি’ও ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে তুমুল আগ্রহের জন্ম দিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd