• শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ১১:২২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম:
লোহাগাড়ায় থামছে না পাহাড় ও মাটি কাটা: প্রকৃতির বিরুদ্ধে এক নীরব যুদ্ধ সিলেটের বিশ্বনাথে বাছাইকৃত কর্মীদের নিয়ে উপজেলা -পৌর জামায়াতের ‘কর্মী প্রশিক্ষণ কর্মশালা’সম্পন্ন শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন করে কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার- এমপি লুনা ভারতীয় আগ্রাসন ও পুশইনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে বিজিবির পাশে থাকার ঘোষণা ১১ দলীয় ঐক্য জোটের এক ঘণ্টার চরম উৎকণ্ঠার অবসান: বিশ্বজুড়ে ফের সচল ফেসবুক ও মেসেঞ্জার মাঠ ছাড়িয়ে জন্মনিবন্ধনে ফুটবলের জাদু: লাতিনে নামকরণের শীর্ষে নেইমার, তলানিতে মেসি! ​খুলনায় সাবেক বিএনপি নেতা জি এম রফিককে গুলি করে হত্যা জগন্নাথপুর প্রেসক্লাবের আহবায়ক কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত খুলনা আর্ট একাডেমিতে সংগীত প্রশিক্ষক হিসেবে যোগদান করায় দ্বৈপায়ন বিশ্বাসকে ফুলেল শুভেচ্ছা হঠাৎ ‘ব্ল্যাকআউট’: মেটার সার্ভার বিপর্যয়ে বিশ্বজুড়ে অচল ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ

অবহেলায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ইউএনওর

Sabit Rizwan / ২৫ Time View
Update : শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬

এস এম রকিবুল হাসান
নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে অসামান্য অবদান রাখা বীর মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। তাদের সম্মান ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্মাণ করা হয়েছে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন। তবে নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনটি বর্তমানে অবহেলা ও অযত্নে পড়ে রয়েছে।
যে ভবনটি মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের বিভিন্ন কার্যক্রম এবং সেবামূলক কাজে ব্যবহৃত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে কার্যকরভাবে ব্যবহার না হওয়ায় প্রত্যাশিত সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ভবনটির বিভিন্ন অংশ ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে কোটি টাকার এই গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাটি একসময় সম্পূর্ণরূপে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়তে পারে।

এ বিষয়ে নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ মুর্শিদা খাতুন বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে আলোচনা করে সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আশ্বাস দেন।
মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাসের গর্বিত অধ্যায়। তাই তাদের জন্য নির্মিত স্থাপনাগুলোর যথাযথ সংরক্ষণ ও কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা সময়ের দাবি বলে মনে করছেন সচেতন মহল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd