
লেখকঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম
ডোনাল্ড ট্রাম্প ১৩ ই মে চীন সফর করেছেন, তিনি ২০১৭ সালে ও চীন সফর করেছিলেন!
তিনি লাল গালিচার উপর হেটেছেন কিন্তু বিমানবন্দরে প্রেসিডেন্ট “শি জিন পিং” কে পান নাই! আলোচনার বিষয় ব্যবসাবানিজ্য
ইরান তাইওয়ান ইত্যাদি হওয়ার কথা, কি পেলেন কি নিলেন তা ট্রাম্প শুধু জানেন!
চীনকে আটকানোর সব পলিসি ট্রাম আগেই করে এসেছেন! বাংলাদেশের সাথে প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করার তাগিদ দিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিঠিতে, এতদিনে মার্কিন যুদ্ধ জাহাজ সেন্ট মার্টিন ফিরেছে এমন খবর শোনা যাচ্ছে, আরাকান সেনাদের অস্ত্র অর্থ দিয়ে মিয়ানমার দখলে নিয়েছে ৭৫%, সেখানে বাংলাদেশের কিছু অংশ আরকান রাখাইন নিয়ে খৃষ্টান রাষ্ট্র তৈরি অনেক আগের থেকে প্লান যা বড় বাধা ছিলো বিগত বাংলাদেশ সরকার যার জন্য ২৯ মিলিয়ন খরচ করে বাংলাদেশের REGIME CHANGE করা!
বাংলাদেশের সাথে মার্কিন প্রতিরক্ষা চুক্তি GSOMIA ও ACSA স্বাক্ষর চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে। এদুটো স্বাক্ষর হলে বাংলাদেশের কৌশলগত প্রয়োজনীয় বিমান বন্দর ও সমুদ্র ঘাটি ব্যবহার করতে পারবে।
এমন চুক্তি পাকিস্তানের সাথেও আছে এবং সেজন্য আফগানিস্তান আক্রমণের সময় করাচি বিমানবন্দর হয়ে রসদ সরবরাহ করেছিলো, সামরিক ঘাটি নিজস্ব মনে করে প্রবেশ করেছিলো, পাকিস্তান আমেরিকার
Non NATO প্রধান মিত্র আছে। উল্লেখ্য চুক্তি স্বাক্ষর হলে বাংলাদেশ ও মার্কিন এমন বড় ভাই হবেন, করিডর সহ আরো কিছু প্রতিশ্রুতি তো গত উপদেষ্টা ডঃ ইউনূস সাহেব নিশ্চিত করে গেছেন আমাদের ভালোর জন্য।
এই মূহুর্তে ইরানের বিরুদ্ধে স্হল বিমান যুদ্ধের জন্য পাকিস্তান তুরস্ক সেনারা সৌদি আরব পৌছেছে শোনা যাচ্ছে। মিঃ এরদোয়ান মুসলিম বিশ্বের বিশাল নেতা সব সময়। তাঁকে পরিবর্তন করতে ২০১৬ সালে সামরিক ক্যু ও ২০২৩ সালে নির্বাচনে তার বিরুদ্ধে মার্কিন পক্ষের প্রার্থী ছিলেন “কেমাল কিলি–” তবু Regime change করতে পারে নাই! তিনি এখন নিজেই মার্কিন হাতে ধরা দিলেন বলা যায়!
পাকিস্তান সে-তো এক আজব মুসলিম দেশ!
ধর্মের নামে দেশ পেলাম পাকিস্তান তার নাম, মুসলমান বিরুদ্ধে সব অপকর্ম কর তার প্রধান কাম!
আফগান মার্কিন আক্রমণে সাহায্য, বাংলাদেশে ৩০ লক্ষ্ মুসলিম হত্যা,৪ লক্ষ মা-বোনকে ধর্ষণ, বেলুচিস্তানের ২ লাখ হত্যা এবং সেখানে হত্যা চলয়মান। ১৯৬২ সালে চীনকে ডেকে মুসলিম ভাই কাশ্মীরের আক্রমণ করানো এবং ২৫% দখলে সহযোগিতা! একসাথে স্বাধীন হয়েছিল “ভারত” আর আমার পৈতৃক দেশ “পাকিস্তান”! শত-শত দরিদ্র জনগন নিয়ে ভারত বিশ্বে চতুর্থ শক্তির দেশ আর পাকিস্তান এক পরমাণু অস্ত্র দেখায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লেজুড় বৃত্তি। বাংলাদেশের একজন ” মুজিব” বলেছিলেন, “আমেরিকা যার বন্ধু তার আর শত্রুর দরকার হয় না!”
আসুন চীন কিভাবে বাঁচবে তার পদক্ষেপ কি তা একটু দেখি! চীন আমেরিকার থেকে তিনগুণ অর্থনৈতিক ভাবে এগিয়ে! প্রযুক্তি থেকে-ও মার্কিন চীনের পিঢ়নে। আমেরিকা বঙ্গোপসাগরে খবরদারী পেয়ে গেলে তার মালাক্কা প্রনালী তে অবাধ বিচরণ বন্ধ এবং ৭১% তেল আসার পথ বন্ধ হতে পারে! চীন মিয়ানমার জান্তা সরকার কে সহায়তা করছে এবং সে করিডর দিয়ে বাঁচার চেষ্টা করছে অথবা যুদ্ধ করতে হবে চীন কে। তখন বাংলাদেশ যুদ্ধ ময়দানে রূপ নিতে পারে এবং বঙ্গোপসাগর চীন মার্কিন যুদ্ধ জাহাজ বা সাবমেরিনের আবাস ভুমি হতে পারে!
ভারত “জয়শ্রী রাম পড়বে” কারন তার সেভেন সিস্টার্স আলাদা হবে মার্কিন আধিপত্য পাকিস্তানের মত বাংলাদেশে স্হায়ী হলে, তার ২৮ টা অঙ্গ রাজ্যরর কোন কোনটা স্বাধীনতা ঘোষণা করলে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নাই! আপাতত মার্কিন দেয়া জাতিসংঘ ভেটো পাওয়ার এবং war Pact নিয়ে ঘুমাচ্ছেন, আসলে ভারত, বাংলাদেশে মার্কিন উপস্থিতি তে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে! যেদিন তিনি বুঝবেন ততদিনে চীন রাশিয়া ইরান তার হাতছাড়া হয়ে গেছে!
সবশেষে বলবো চীন এক দশক বাংলাদেশ কে প্রায় ৭১% সামরিক সরঞ্জাম সহায়তা দিয়েছে। উন্নয়ন সহযোগিতা করেছে অর্থ ও প্রকৌশল টেকনিক্যাল স্কীল্ড দিয়ে।
চীনের লোন বাংলাদেশে যেখানে প্রায় ৬.৪ বিলিয়ন ভারতের সেখানে মাত্র ১.৩ বিলিয়ন সম্ভবত! তবুও বাংলাদেশ ভারতের কাছে বিক্রি প্রপাগাণ্ডা বিগত সরকার ঠেকাতে পারে নাই, এইটাই গত সরকারের চরম ব্যর্থতা এবং সে-ই শাস্তি ভোগ করলো এদেশের জনগণ!
ভালো থাকেন সুস্থ থাকেন নিজ দেশকে ভালোবাসেন! জগত শেঠ রায় দুর্লভ এয়ার লতিফ ঘষেটি বেগম মিরান মীর সাদিক সবাই শোচনীয় ভাবে মারা গেছে, কেউ বেঁচে নাই, আপনার আমার মৃত্যু শ্বাশত চিরায়ত অনিবার্য!
