140

ডেস্ক রিপোর্টার

​মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যে চরম উত্তেজনা ও যুদ্ধভীতির প্রেক্ষাপটে কাতারে শক্তিশালী যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে ব্রিটেন। উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা রক্ষা এবং ইরানের সম্ভাব্য হামলা প্রতিহত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

​শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিবেচনায় কাতারের আল-উদেইদ বিমানঘাঁটিতে ব্রিটিশ বিমান বাহিনীর (আরএএফ) এক স্কোয়াড্রন ‘টাইফুন’ যুদ্ধবিমান পাঠানো হয়েছে। কাতার সরকারের আমন্ত্রণে যৌথ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদার করতে আরএএফ এবং কাতারের ‘১২ নম্বর স্কোয়াড্রন’ হিসেবে এই জেটগুলো কাজ করবে।

​ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা সচিব জন হিলি এই পদক্ষেপের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “এই অংশীদারিত্ব উভয় দেশের জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।”

​অন্যদিকে, পারস্য উপসাগরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল সামরিক উপস্থিতিও উত্তজনা বাড়িয়ে দিয়েছে। অত্যাধুনিক এফ-৩৫ সমৃদ্ধ বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’ আগামী সপ্তাহের শুরুতে এই অঞ্চলে পৌঁছাবে। এর সাথে থাকছে শক্তিশালী গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার এবং সাবমেরিন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই নৌবহরকে ‘আর্মাডা’ হিসেবে অভিহিত করে ইরানকে সতর্কবার্তা দিয়েছেন।

​প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে পশ্চিমাদের এই ব্যাপক সামরিক উপস্থিতি বড় ধরনের কোনো সংঘাতের ইঙ্গিত হতে পারে। বিশেষ করে ইরানের তৈরি ‘শাহেদ-১৩৬’ কামিকাজে ড্রোন ভূপাতিত করতে ব্রিটিশ টাইফুন জেটগুলো অত্যন্ত কার্যকর হিসেবে পরিচিত। এর আগে গত বছর ইসরায়েল-ইরান উত্তজনা এবং ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ চলাকালেও নিরাপত্তার স্বার্থে সেখানে টাইফুন জেট পাঠিয়েছিল লন্ডন।

​তথ্যসূত্র: আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম ও সংস্থা।

By Md. Rejon Mia

দৈনিক জনকামনা (Daily JonoKamona)-এর সম্পাদক ও প্রকাশক। সত্য, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন এবং জনস্বার্থ প্রকাশে দৃঢ়ভাবে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। অনলাইন ও ডিজিটাল গণমাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে আসছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You missed