• শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০১:৪৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম:
কবিতা হলো আত্মার খোরাক ও সাহিত্যের প্রাণ: কবি মুহাম্মদ আবু রিসাত সড়কের দোষ খুঁজি, কিন্তু চালকের অপরাধ এড়াই কেন? মৌসুমি ফল উৎসবে সংবর্ধিত হলেন জসিম উদ্দিন সরকার ‎ধামরাইয়ের খড়ারচরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন, এফ এইচ এসোসিয়েশনের উদ্যোগে শোভাযাত্রা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান মোংলায় ভুয়া র‍্যাব পরিচয়ে প্রতারণার চেষ্টা, যুবক গ্রেপ্তার তরুণদের চোখে সাহিত্যচর্চা ও কবিতা কবি হাকিমুল ইসলাম সবুজের সাক্ষাৎকার রাজনীতির পাশাপাশি পাহাড়ে ভ্রমণ পিপাসু মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন নরসিংদীতে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ দুই ভাই গ্রেপ্তার খুলনা-মোংলা মহাসড়কে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা, মাইক্রোবাস–পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ৮ নরসিংদীর রায়পুরায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, বিচার দাবীতে মানববন্ধন

ধর্ম অবমাননার প্রতিবাদে রাস্তায় রক্ত, অভিযুক্তকে ‘মানসিক রোগী’ বলে ছেড়ে দেওয়ায় প্রশ্ন পুলিশের ভূমিকা নিয়ে

তুফান ইনিস্টিউট / ৪৭ Time View
Update : শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ঢাকার কেন্দ্রস্থলে প্রকাশ্যে ধর্ম অবমাননার প্রতিবাদ করায় হামলার শিকার হয়েছেন কবি ও সাহিত্যিক এম. কে. জাকির হোসাইন বিপ্লবী। শুক্রবার জুমার নামাজের পর মেট্রোরেলের সিঁড়ির নিচে ঘটে যাওয়া ঘটনায় তিনি গুরুতর আহত হন। অথচ হামলাকারীকে ‘মানসিক রোগী’ আখ্যা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে, যা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ভূমিকা নিয়ে গভীর প্রশ্ন তৈরি করেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, এক ব্যক্তি প্রকাশ্যে একটি টুপি পদদলিত করে ইসলাম ধর্ম নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করে। বিষয়টি চোখে পড়লে এম. কে. জাকির হোসাইন বিপ্লবী তাকে থামাতে এগিয়ে যান এবং কারণ জানতে চান। তখনই অভিযুক্ত তার ওপর হামলা চালায়। ধাক্কায় তার হাতে থাকা মোবাইল ফোন রাস্তায় পড়ে ভেঙে যায়। ফোন তুলতে গেলে আবার আঘাত করা হয়। এতে তার মুখ ও চোখে আঘাত লাগে এবং রক্তক্ষরণ শুরু হয়।

পরে আশপাশের কয়েকজন মানুষ এগিয়ে এসে হামলাকারীকে ধরে রাখেন। কাছেই দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে তাকে নিজেদের হেফাজতে নেন। ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য শোনার পর দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা অভিযুক্তকে ‘মানসিকভাবে অসুস্থ’ উল্লেখ করে ছেড়ে দেন এবং আহত কবিকে হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

এই ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে—প্রকাশ্যে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ও শারীরিক হামলার মতো গুরুতর ঘটনায় কাউকে শুধু মানসিক অসুস্থ আখ্যা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া কি আইনের শাসনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ? ভুক্তভোগীর বক্তব্য যাচাই, চিকিৎসা সহায়তা কিংবা আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায় দাঁড়ায়?

সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অনেকেই বলছেন, মতপ্রকাশ ও ধর্মীয় সংবেদনশীলতার প্রশ্নে সহিংসতার বিরুদ্ধে দাঁড়ানো একজন লেখকের ওপর হামলা এবং পরে অভিযুক্তের দায়মুক্তি সমাজে ভুল বার্তা দিচ্ছে। এতে শুধু ব্যক্তি নয়, নাগরিক নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারের ধারণাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd