আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ও বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়নের প্রেক্ষিতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাম্প্রতিক মন্তব্যে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ইরানে পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হলে যুক্তরাষ্ট্র ‘প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ’ নিতে পারে।
ইরানের সামরিক বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং সম্ভাব্য কোনো আগ্রাসন ঠেকাতে ‘সর্বোচ্চ প্রস্তুতি’ ঘোষণা করেছে। পাশাপাশি, ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, বিদেশি কোনো হস্তক্ষেপের ক্ষেত্রে তারা কঠোরভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাবে।
এ পর্যন্ত মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ অনুযায়ী, বিক্ষোভ সংক্রান্ত ঘটনায় প্রায় ১৮ হাজার জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ইরানের আদালত দ্রুত বিচারের মাধ্যমে অভিযুক্তদের শাস্তি প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন।
ইউরোপীয় কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন, সামরিক পদক্ষেপ পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলতে পারে। রাশিয়া, চীন ও তুরস্কসহ আন্তর্জাতিক মহল সংলাপের মাধ্যমে উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানিয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনা উপস্থিতি ও নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এদিকে, তেহরান–ওয়াশিংটনের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ কিছুটা সীমিত হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সরাসরি স্থল যুদ্ধের পরিবর্তে ট্রাম্প প্রশাসন বিমান বা ড্রোন হামলার বিকল্প বিবেচনা করতে পারে।
সূত্র: রয়টার্স