• শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম:
সিলেটের বিশ্বনাথে দুই রাস্তার সংস্কার কাজের উদ্বোধন করলেন- এমপি লুনা বহুমুখী প্রতিভার উজ্জ্বল নক্ষত্র: বিনোদন অঙ্গনে মেঘলা অন্তরার জয়যাত্রা জগন্নাথপুরে মসজিদে মাসআলা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ আহত ৫০ কক্সবাজারে পালতলী খাল পুনঃখননের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ডিমলায় বর্গাচাষির বিরুদ্ধে জমি থেকে বালু উত্তোলন ও বিক্রির অভিযোগ লোহাগাড়ায় থামছে না পাহাড় ও মাটি কাটা: প্রকৃতির বিরুদ্ধে এক নীরব যুদ্ধ সিলেটের বিশ্বনাথে বাছাইকৃত কর্মীদের নিয়ে উপজেলা -পৌর জামায়াতের ‘কর্মী প্রশিক্ষণ কর্মশালা’সম্পন্ন শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন করে কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার- এমপি লুনা ভারতীয় আগ্রাসন ও পুশইনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে বিজিবির পাশে থাকার ঘোষণা ১১ দলীয় ঐক্য জোটের এক ঘণ্টার চরম উৎকণ্ঠার অবসান: বিশ্বজুড়ে ফের সচল ফেসবুক ও মেসেঞ্জার

কক্সবাজারে পালতলী খাল পুনঃখননের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

Sabit Rizwan / ৩২ Time View
Update : শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

মোঃ আবু সাঈদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ

​জলবায়ু পরিবর্তনের তীব্র ঝুঁকি মোকাবিলা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং টেকসই উন্নয়নের অঙ্গীকার নিয়ে দেশব্যাপী নদী-খাল খনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে কক্সবাজারে এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সূচনা হলো। বর্তমান গণমুখী সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার বাস্তব প্রতিফলন ঘটিয়ে আজ শনিবার (১৩ জুন ২০২৬) কক্সবাজার সদরের পিএম খাল এলাকায় ‘পালতলী খাল’ পুনঃখনন কাজের শুভ উদ্বোধন করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান।
​প্রধানমন্ত্রীর এই সময়োপযোগী ও সাহসী উদ্যোগকে ঘিরে সমগ্র কক্সবাজার অঞ্চলে স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রশাসনের মাঝে এক অভূতপূর্ব উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।
​নদী-খাল পুনরুজ্জীবনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ প্রধানমন্ত্রী
​উদ্বোধনকালে এক আবেগঘন ও দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান পরিবেশ ও প্রকৃতির সুরক্ষায় তাঁর সরকারের অবিচল প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। দেশের জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে এই প্রকল্পের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন:
​আমাদের অস্তিত্বের স্বার্থেই প্রকৃতিকে বাঁচাতে হবে। নদী ও খাল আমাদের দেশের ধমনীর মতো। এই ধমনীগুলো সচল না থাকলে দেশ বাঁচবে না। নদী-খাল পুনরুজ্জীবনের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন, কৃষিজমি রক্ষা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা পুরোপুরি সম্ভব। পালতলী খালের এই পুনঃখনন কেবল একটি স্থানীয় প্রকল্প নয়, বরং এটি সমগ্র বাংলাদেশে জলবায়ু সহনশীলতা ও পরিবেশগত ভারসাম্য ফিরিয়ে আনার মহাসড়কে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মাইলফলক পদক্ষেপ।
​প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে স্থানীয় প্রশাসন ও জনগণকে সম্মিলিতভাবে এই জলাধারগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ করার আহ্বান জানান এবং স্পষ্ট করে বলেন যে, পরিবেশ ধ্বংসকারী যেকোনো অপতৎপরতার বিরুদ্ধে তাঁর সরকার ‘শূন্য সহনশীলতা’ (জিরো টলারেন্স) নীতি অনুসরণ করবে।
​পালতলী খাল পুনঃখনন: স্থানীয় অর্থনীতি ও কৃষিতে নতুন দিগন্ত
​কক্সবাজার সদরের পিএম খাল এলাকার পালতলী খালটি দীর্ঘকাল ধরে পলি জমে ও অবৈধ দখলে সংকুচিত হয়ে পড়েছিল। এর ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হতো এবং নষ্ট হতো কৃষকের সোনালী ফসল। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় শুরু হওয়া এই বৃহৎ পুনঃখনন কাজের ফলে স্থানীয় জনজীবনে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
​জলাবদ্ধতা নিরসন: দীর্ঘস্থায়ী পানি নিষ্কাশন সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে অত্র অঞ্চলের গ্রামীণ ও শহর এলাকা আকস্মিক বন্যার হাত থেকে রক্ষা পাবে।
​কৃষিজমি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা: খালের নাব্যতা ফিরে আসায় শুষ্ক মৌসুমে কৃষিকাজে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি পাবে, যার ফলে ফসলের উৎপাদন বহুগুণ বাড়বে। একই সাথে খালের দেশীয় মাছ ও জলজ জীববৈচিত্র্য আবার প্রাণ ফিরে পাবে।
​অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি: জলাবদ্ধতা দূর হলে স্থানীয় যোগাযোগ ও ব্যবসা-বাণিজ্যের পথ সুগম হবে, যা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অবহেলিত এই জনপদের অর্থনীতিকে গতিশীল করবে।
​দেশব্যাপী পরিবেশগত ভারসাম্য পুনরুদ্ধারের মহাপরিকল্পনা
​সরকারের উচ্চপর্যায়ের সূত্রমতে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই উদ্যোগ কেবল কক্সবাজারেই সীমাবদ্ধ নয়। দেশব্যাপী হারিয়ে যাওয়া জলধারা পুনরুদ্ধার, নদীমাতৃক বাংলাদেশের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা এবং বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দেশকে মুক্ত রাখতে সরকার একটি সমন্বিত ‘মাস্টারপ্ল্যান’ বা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। পালতলী খালের পুনঃখনন সেই মহাপরিকল্পনারই একটি সফল ও দৃশ্যমান অংশ।
​স্থানীয় জনগণ ও প্রশাসনের উচ্ছ্বাস ও কৃতজ্ঞতা
​প্রধানমন্ত্রীর এই যুগান্তকারী পদক্ষেপে কক্সবাজারের সর্বস্তরের মানুষের মাঝে আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্থানীয় প্রবীণ বাসিন্দা ও সাধারণ কৃষকরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের দীর্ঘদিনের দুঃখ দূর করার জন্য প্রধানমন্ত্রী নিজে এগিয়ে এসেছেন, এটি আমাদের জন্য পরম সৌভাগ্যের।
​অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও পরিবেশবিদরা প্রধানমন্ত্রীর এই পরিবেশবান্ধব ও দূরদর্শী নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তাঁরা বলেন, রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে জনাব তারেক রহমানের এই দূরদর্শিতা দেশের পরিবেশগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক নিরাপদ ও সবুজ বাংলাদেশ বিনির্মাণে আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd