• শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৮:০১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম:
সড়কের দোষ খুঁজি, কিন্তু চালকের অপরাধ এড়াই কেন? মৌসুমি ফল উৎসবে সংবর্ধিত হলেন জসিম উদ্দিন সরকার ‎ধামরাইয়ের খড়ারচরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন, এফ এইচ এসোসিয়েশনের উদ্যোগে শোভাযাত্রা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান মোংলায় ভুয়া র‍্যাব পরিচয়ে প্রতারণার চেষ্টা, যুবক গ্রেপ্তার তরুণদের চোখে সাহিত্যচর্চা ও কবিতা কবি হাকিমুল ইসলাম সবুজের সাক্ষাৎকার রাজনীতির পাশাপাশি পাহাড়ে ভ্রমণ পিপাসু মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন নরসিংদীতে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ দুই ভাই গ্রেপ্তার খুলনা-মোংলা মহাসড়কে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা, মাইক্রোবাস–পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ৮ নরসিংদীর রায়পুরায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, বিচার দাবীতে মানববন্ধন খুলনা-মোংলা মহাসড়কে মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত ৮ – কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

কোরবানির হাটে ভারতীয় গরুর অনুপ্রবেশ ঠেকানোর দাবি রংপুরের খামারিদের

Sabit Rizwan / ৩৮ Time View
Update : বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর

​আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রংপুরের পীরগাছা উপজেলাসহ গোটা জেলার খামারি ও গৃহস্থরা পশু লালন-পালনে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে তাদের মনে এখন একটাই দুশ্চিন্তা—ভারতীয় গরুর অনুপ্রবেশ। খামারিদের দাবি, সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতীয় গরু দেশে প্রবেশ করলে তারা ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হবেন এবং বড় ধরনের আর্থিক লোকসানের মুখে পড়বেন।

​পীরগাছা উপজেলার তাম্বুলপুর ইউনিয়নের প্রতিপাল বগুড়াপাড়া এলাকার গৃহস্থ কোহিনুর বেগম জানান, কোরবানি ঈদকে লক্ষ্য করে দুটি বিদেশি জাতের গরু বড় করেছেন তিনি। এই গরু বিক্রি করে তিনি তার ঋণ পরিশোধ করবেন এবং ভবিষ্যতে আরও গবাদিপশু কেনার পরিকল্পনা করছেন। কোহিনুর বেগমের মতো জেলার হাজারো খামারি এখন স্বপ্ন বুনছেন কোরবানির হাট ঘিরে।

​খামারিদের পক্ষ থেকে সীমান্ত এলাকায় কঠোর নজরদারির দাবি তোলা হয়েছে। তারা বলছেন, বর্তমানে দেশের খামারগুলোতে পর্যাপ্ত পশুর যোগান রয়েছে। রংপুর ডেইরি ফার্মাস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এস এম আসিফুল ইসলাম বলেন, “বর্ডার দিয়ে গরু চোরাচালান বন্ধে প্রশাসনকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। ভারতীয় গরু ঢুকলে দেশের প্রান্তিক খামারিরা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।”

​সংগঠনের সভাপতি লতিফুর রহমান মিলন জানান, রংপুর বিভাগে কোরবানির পশুর কোনো সংকট নেই। বরং স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এই অঞ্চলের উদ্বৃত্ত পশু দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সরবরাহ করা সম্ভব হবে। তাই বাইরে থেকে গরু আমদানির কোনো প্রয়োজন নেই।

​এ বিষয়ে রংপুর প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক ডা. মো. আব্দুল হাই সরকার খামারিদের আশ্বস্ত করে বলেন, “গরু চোরাচালান রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এবার পার্শ্ববর্তী কোনো দেশ থেকেই গবাদিপশু আসবে না। ফলে খামারিরা ভালো দাম পাবেন বলে আমরা আশা করছি।”

​তিনি আরও জানান, ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সুবিধার্থে বিভাগের আট জেলায় স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে মোট ২৯৫টি হাটে কোরবানির পশু কেনাবেচার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এসব হাটে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি খামারিদের সব ধরনের কারিগরি ও চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd