• শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০১:০৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম:
কবিতা হলো আত্মার খোরাক ও সাহিত্যের প্রাণ: কবি মুহাম্মদ আবু রিসাত সড়কের দোষ খুঁজি, কিন্তু চালকের অপরাধ এড়াই কেন? মৌসুমি ফল উৎসবে সংবর্ধিত হলেন জসিম উদ্দিন সরকার ‎ধামরাইয়ের খড়ারচরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন, এফ এইচ এসোসিয়েশনের উদ্যোগে শোভাযাত্রা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান মোংলায় ভুয়া র‍্যাব পরিচয়ে প্রতারণার চেষ্টা, যুবক গ্রেপ্তার তরুণদের চোখে সাহিত্যচর্চা ও কবিতা কবি হাকিমুল ইসলাম সবুজের সাক্ষাৎকার রাজনীতির পাশাপাশি পাহাড়ে ভ্রমণ পিপাসু মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন নরসিংদীতে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ দুই ভাই গ্রেপ্তার খুলনা-মোংলা মহাসড়কে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা, মাইক্রোবাস–পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ৮ নরসিংদীর রায়পুরায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, বিচার দাবীতে মানববন্ধন

তালাক না দিয়েই অন্যত্র বিয়ে, স্ত্রীকে ফিরে পেতে দারে দারে ঘুরছেন স্বামী

তুফান ইনিস্টিউট / ৪১ Time View
Update : রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬

মোঃ আছাদুল হক, কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি

 

খুলনার কয়রা উপজেলার গোবরা গ্রামের মো. হানিফ ও শারমিন আক্তার পলির সংসার শুরু হয়েছিল ভালোবাসা আর স্বপ্ন নিয়ে। একই গ্রামের মানুষ, পরিচয় থেকে প্রেম—তারপর পরিবারকে জানিয়ে বিয়ে। সবকিছুই ছিল স্বাভাবিক, সুখের। কিন্তু হঠাৎ করেই হানিফের জীবনে নেমে আসে ভয়াবহ অন্ধকার।

 

চাকরির সুবাদে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে ২০২২ সালের ১৭ আগস্ট এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মারাত্মক আহত হন হানিফ। দুমাসের বেশি সময় হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে তিনি ফিরে আসেন। আর সেই সময়টাতেই বদলে যায় তার সংসারের গল্প।

 

হানিফ অভিযোগ করেন, তাঁর অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে স্ত্রী শারমিন আক্তার পলি পিতা-মাতার পরামর্শে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান। সুস্থ হয়ে উঠে স্ত্রীকে ফেরাতে একের পর একবার শ্বশুরবাড়ির দরজায় কড়া নাড়েন হানিফ। বসানো হয় গ্রাম্য সালিসও। কিন্তু কোনো কিছুরই ফল হয়নি। ভালোবাসার মানুষ আর ফিরে আসেননি।

 

শেষ পর্যন্ত স্ত্রীকে ফেরত পেতে আদালতের দারস্থ হন হানিফ। ঠিক সেই সময়েই তাঁর জীবনে নেমে আসে আরেকটি নির্মম আঘাত। কোনো প্রকার তালাক না দিয়েই পার্শ্ববর্তী শ্যামনগর উপজেলার ভেটখালী গ্রামে অন্য একজনের সঙ্গে শারমিন আক্তার পলির বিয়ে দেওয়া হয়—এমন খবর পান তিনি।

 

এর কয়েক মাস আগে লোক মারফতে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয় একটি কথিত নোটারি পাবলিকের তালাক রেজিস্ট্রির ফটোকপি। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওই কাগজটি সম্পূর্ণ ভুয়া। ওই নামে কোনো নোটারি তালাক রেজিস্ট্রি হয়নি বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

 

ভুক্তভোগী হানিফ বলেন, “আমাকে কোনো তালাক না দিয়েই ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর আমার স্ত্রীকে জোর করে অন্যত্র বিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রতিবাদ করলে উল্টো আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।”

 

হানিফের অভিযোগ, শারমিনের পিতা আনিচুর রহমান গাজী তাঁকে নানা ভাবে হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছেন। এতে তাঁর নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে চরম শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

স্ত্রী শারমিনকে ফিরে পাওয়ার আশায়, ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় এখনো আদালত আর থানার দারে দারে ঘুরছেন তিনি।

 

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আনিছুর রহমান কে একাধিকবার ফোনে কল দিয়েও তার মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd