• শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০২:০৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম:
কবিতা হলো আত্মার খোরাক ও সাহিত্যের প্রাণ: কবি মুহাম্মদ আবু রিসাত সড়কের দোষ খুঁজি, কিন্তু চালকের অপরাধ এড়াই কেন? মৌসুমি ফল উৎসবে সংবর্ধিত হলেন জসিম উদ্দিন সরকার ‎ধামরাইয়ের খড়ারচরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন, এফ এইচ এসোসিয়েশনের উদ্যোগে শোভাযাত্রা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান মোংলায় ভুয়া র‍্যাব পরিচয়ে প্রতারণার চেষ্টা, যুবক গ্রেপ্তার তরুণদের চোখে সাহিত্যচর্চা ও কবিতা কবি হাকিমুল ইসলাম সবুজের সাক্ষাৎকার রাজনীতির পাশাপাশি পাহাড়ে ভ্রমণ পিপাসু মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন নরসিংদীতে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ দুই ভাই গ্রেপ্তার খুলনা-মোংলা মহাসড়কে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা, মাইক্রোবাস–পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ৮ নরসিংদীর রায়পুরায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, বিচার দাবীতে মানববন্ধন

ধর্ম অবমাননার প্রতিবাদে হামলা, রক্তাক্ত নাগরিক; ‘মানসিক অসুস্থ’ আখ্যা দিয়ে অভিযুক্তকে ছেড়ে দিল পুলিশ

তুফান ইনিস্টিউট / ৬৮ Time View
Update : শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ঢাকার ব্যস্ত এলাকায় প্রকাশ্যে ধর্ম অবমাননার প্রতিবাদ করতে গিয়ে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন। শুক্রবার জুমার নামাজের পর ঢাকা মেট্রোরেলের সিঁড়ির নিচে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে পুলিশ ‘মানসিক অসুস্থ’ দাবি করে ছেড়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে জনমনে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, নামাজ শেষে এক ব্যক্তি প্রকাশ্যে একটি টুপি পদদলিত করেন এবং ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটূক্তিমূলক ভাষা ব্যবহার করেন। বিষয়টি দেখে একজন পথচারী প্রতিবাদ জানান এবং ঘটনাটির বিস্তারিত জানতে সচিবালয়ের সামনে অভিযুক্তকে দাঁড় করান। সে সময় তার সঙ্গে আরও দুজন উপস্থিত ছিলেন।

ভুক্তভোগীর দাবি, তিনি অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম ও ধর্ম জানতে চাইলে হঠাৎ করেই তাকে আক্রমণ করা হয়। হামলায় তার হাতে থাকা স্মার্টফোন রাস্তায় পড়ে ভেঙে যায়। ফোন তুলতে গেলে আবারও তাকে আঘাত করা হয়। এতে তার মুখ ও চোখে আঘাত লাগে, ত্বক ফেটে রক্তক্ষরণ শুরু হয়।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত আরও কয়েকজন এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। কাছেই দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা থাকায় পরে বিষয়টি পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এক পর্যায়ে একজন কনস্টেবল অভিযুক্তকে চাপ প্রয়োগ করলে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ ইনচার্জ ঘটনা সম্পর্কে জানতে চান।

ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য শোনার পর পুলিশ অভিযুক্তকে ‘মানসিকভাবে অসুস্থ’ বলে উল্লেখ করে ছেড়ে দেয় এবং দুঃখ প্রকাশ করে। পরে আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

এই ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে—ধর্ম অবমাননার অভিযোগ এবং প্রকাশ্য হামলার পরও কাউকে মানসিক অসুস্থ বলে ছেড়ে দেওয়া কতটা আইনসঙ্গত? ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা, চিকিৎসা এবং ন্যায়বিচারের দায় কি শুধু দুঃখ প্রকাশেই শেষ হয়ে যায়?

ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন ধর্মীয় সংবেদনশীলতা, নাগরিক নিরাপত্তা এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার জবাবদিহি নিয়ে জনমনে গভীর উদ্বেগ রয়েছে। প্রকাশ্যে হামলার শিকার একজন নাগরিক যদি ন্যায়বিচার না পান, তাহলে সাধারণ মানুষ নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে কোথায় দাঁড়াবে—সে প্রশ্নও উঠছে।

এই ঘটনায় প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd