• বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম:
নীলফামারীতে ‘নিষিদ্ধ পলিথিন’ বিরোধী অভিযান পরিচালিত এক বছরে ৮১১টি সহিংসতা, মামলা মাত্র ৯৯টি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বাঁচাতে তামাকজাত পণ্যের কর বৃদ্ধির বিকল্প নেই: নারী মৈত্রীর সভায় বক্তারা ১ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মুস্তাফা জামান আব্বাসী স্মারক বক্তৃতা অনুষ্ঠিত কবি এস এম পিন্টুর ’অনুপ্রেরণা’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ফুটবল জ্বরে কাঁপছে মেক্সিকো: ৩৩ দিন আগেই স্কুল ছুটি, ক্ষোভে ফুঁসছেন অভিভাবকরা জগন্নাথপুর উপজেলা যুবদলের নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ দিল্লির ‘প্রতিহিংসা’ বনাম ঢাকার অস্বস্তি: গোলাম মাওলা রনির বিস্ফোরক বিশ্লেষণে নতুন মোড় মহাসড়ক ও চায়ের দোকান: র‍্যাবের জালে তিন মাদক কারবারি, উদ্ধার ফেন্সিডিল ও গাঁজা প্রেমের কাছে হার মানল জেলখানা ও ধর্ম: খুনের আসামিকে বিয়ে করলেন মহিলা জেলার!

এক বছরে ৮১১টি সহিংসতা, মামলা মাত্র ৯৯টি

Sabit Rizwan / ৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬

মোঃ রায়হান পারভেজ নয়ন,
স্টাফ রিপোর্টার নীলফামারী

নীলফামারীতে গত এক বছরে নারী ও শিশু নির্যাতনের উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে। ২০২৫ সালে জেলায় মোট ৮১১টি সহিংসতার ঘটনা ঘটলেও এর বিপরীতে মামলা দায়ের হয়েছে মাত্র ৯৯টি। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন, নাগরিক সমাজ ও উন্নয়নকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে সদর উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে “জেন্ডার সমতা ও বৈষম্য নিরসনে নাগরিক সম্পৃক্ততা-ফেসিং প্রকল্প”-এর উদ্যোগে আয়োজিত এক পরামর্শ সভায় এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। উপজেলা নাগরিক প্ল্যাটফর্মের সভাপতি আকতারুল আলম রাজুর সভাপতিত্বে সভার উদ্বোধন করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুবাশশিরা আমাতুল্লাহ।
সভায় জানানো হয়, মোট সহিংসতার ঘটনার মধ্যে ৭৯৯টি নারী নির্যাতন এবং ১২টি শিশু নির্যাতনের ঘটনা। এর মধ্যে শারীরিক নির্যাতনের ঘটনা সবচেয়ে বেশি, যার সংখ্যা ২২২টি। এছাড়া ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা ১১০টি, গৃহ নির্যাতন ৯৫টি, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ ৭৫টি, আর্থিক নির্যাতন ৫৪টি এবং যৌতুক সংক্রান্ত ঘটনা ৫০টি। পাশাপাশি ধর্ষণচেষ্টা ২৮টি, চুরি ও ছিনতাই ২৩টি, অপহরণ ১৯টি, অনলাইন হয়রানি ১৬টি, ধর্ষণ ৮টি ও ইভটিজিংয়ের ঘটনা ৬টি বলে উল্লেখ করা হয়।
ডেমক্রেসিওয়াচের নির্বাহী পরিচালক ওয়াজেদ ফিরোজ সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন। পরে সংস্থাটির আউটরিচ কো-অর্ডিনেটর আব্দুস সেলিম জেলার জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতার সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, থানা, আদালত, মহিলাবিষয়ক কার্যালয়, ইউনিয়ন পরিষদ, নাগরিক প্ল্যাটফর্ম এবং স্থানীয় সংবাদপত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে প্রকৃত সহিংসতার সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
সভায় সদর উপজেলার টুপামারী, গোড়গ্রাম, সংগলশী ও সোনারায় ইউনিয়নকে সহিংসতার দিক থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
বক্তারা বলেন, সামাজিক প্রতিরোধের অভাব, নারীর দুর্বল সামাজিক অবস্থান, আইনের যথাযথ প্রয়োগ না হওয়া, বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা এবং মান-সম্মানের ভয়ে অনেক ঘটনা গোপন রাখার প্রবণতার কারণে সহিংসতা বাড়ছে।
এ সময় সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, শিক্ষার হার বাড়ানো, প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধ এবং আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় নীলফামারী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জিল্লুর রহমান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেন, সাংবাদিক নুর আলম, সাবেক নারী ভাইস চেয়ারম্যান দৌলত জাহান ছবি, অ্যাডভোকেট আলপনা রায়সহ সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, নারী উন্নয়নকর্মী ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকরা জানান, জেলায় জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা কমাতে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, গণমাধ্যম ও সরকারি দপ্তরগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ জোরদার করতেই এ পরামর্শ সভার আয়োজন করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ফেসিং প্রকল্প বর্তমানে জেলার চারটি উপজেলায় কার্যক্রম পরিচালনা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd