97

নিজস্ব প্রতিবেদক

​বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার বর্তমান কূটনৈতিক সম্পর্ক কি কেবলই আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ, নাকি এর আড়ালে জমাট বাঁধছে গভীর কোনো প্রতিহিংসা? রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি এক ভিডিও বার্তায় দাবি করেছেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি দিল্লির মনোভাব এখন আর নিছক অপছন্দের পর্যায়ে নেই, তা পৌঁছে গেছে চরম প্রতিহিংসার স্তরে। বিশেষ করে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সাথে একটি করমর্দনের সুযোগ না পাওয়াকে এই চরম দূরত্বের অন্যতম নজির হিসেবে দেখছেন তিনি।

​রনির দাবি অনুযায়ী, গত ৫ আগস্টের পটপরিবর্তন এবং শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে সরানোর ক্ষেত্রে বিদেশি শক্তিগুলোর যে ছক ছিল, তা এখন খোদ দিল্লির জন্যই বুমেরাং হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিনিয়োগের বিপরীতে কাঙ্ক্ষিত রাজনৈতিক সুবিধা না পাওয়ায় ভারতের নীতিনির্ধারকরা ক্ষুব্ধ। দিল্লির এই ‘ঠান্ডা লড়াই’ আর কূটনৈতিক উপেক্ষা আগামী দিনে ঢাকার জন্য এক কঠিন অগ্নিপরীক্ষা হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

​পুঁজিবাজারে অস্থিরতার ছায়া

রাজনৈতিক এই অনিশ্চয়তার রেশ যেন কাটছেই না দেশের শেয়ার বাজারেও। সপ্তাহের শেষে পুঁজিবাজারে দেখা গেছে মিশ্র প্রবণতা। একদিকে বড় কোম্পানিগুলো যখন খুঁড়িয়ে চলছে, অন্যদিকে কিছু ক্ষুদ্র শেয়ারের দরবৃদ্ধি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কৌতূহল ও শঙ্কা—উভয়ই তৈরি করেছে।

​জিপি (GP): ০.২১ শতাংশ বেড়ে বাজার ধরে রাখার চেষ্টা করেছে।

​ব্যাটবিক (BATBC): সামান্য দর হারিয়ে ২১৯.৪০ টাকায় দিন শেষ করেছে।

​ররবি (ROBI): কোনো পরিবর্তন ছাড়াই ২৯.৬০ টাকায় স্থির ছিল।

​বাজারের পতন: ১ জনতা মিউচুয়াল ফান্ড এবং নূরানী ডাইং-এর মতো শেয়ারগুলো আজ দর হারিয়ে বিনিয়োগকারীদের হতাশ করেছে।

​অস্বাভাবিক উত্থান: বাজার যখন নিম্নমুখী, তখন এপেক্স স্পিনিং এবং এইচএফএল-এর দরে বড় লাফ দেখা গেছে, যা অনেককেই অবাক করেছে।

​রাজনীতির অন্দরমহলে দিল্লির এই ‘চড়া মেজাজ’ আর শেয়ার বাজারের এই ‘লুকোচুরি’—সব মিলিয়ে দেশের ভবিষ্যৎ সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

By Md. Rejon Mia

দৈনিক জনকামনা (Daily JonoKamona)-এর সম্পাদক ও প্রকাশক। সত্য, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন এবং জনস্বার্থ প্রকাশে দৃঢ়ভাবে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। অনলাইন ও ডিজিটাল গণমাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে আসছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You missed