• বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ১২:৪২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম:
​বটিয়াঘাটায় নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে এলজিইডির বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এনজিও বিষয়ক ব্যুরো অফিসকে তামাকমুক্ত ঘোষণা বহিষ্কারে ক্ষিপ্ত হয়ে সভাপতি/সম্পাদকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার”প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করে সুষ্ঠু বিচার দাবি ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের গোয়াইনঘাটে শিক্ষার্থীদের মাঝে ওয়ার্ল্ড ভিশনের উদ্যোগে ছাতা বিতরণ নিয়ামতপুরে ঘাসফুল এনজিওর বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ বিচার, দায়বদ্ধতা ও সামাজিক প্রশ্ন: নুরুল আফসারের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক উন্নয়নের মানচিত্রে রংপুর কি তার ন্যায্য অবস্থান পাচ্ছে? বটিয়াঘাটা ​কুটিরহাট প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ: নতুন কমিটি গঠন গোয়াইনঘাটে নিউ স্টার স্পোর্টিং ক্লাবের ফাইনাল খেলা সম্পন্ন সিংগাইর পৌরবাজারে ফুটপাতে অবৈধ দোকানপাঠের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট,৭ দোকানে জরিমানা

​বটিয়াঘাটায় নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে এলজিইডির বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক

Sabit Rizwan / ৫ Time View
Update : বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬

খুলনা ব্যুরোঃ

খুলনা-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ও জননেতা আমীর এজাজ খানের বিশেষ নির্দেশনায় বটিয়াঘাটা উপজেলা বাজার সদর এলাকার তীব্র নদীভাঙন কবলিত অঞ্চল পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। গতকাল (মঙ্গলবার/বুধবার – দিনটি বসিয়ে নিতে পারেন) এলজিইডির খুলনা বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. নাজমুল হাসান এবং নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জহির মাজাহার ভাঙনকবলিত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
​এ সময় তাদের সাথে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও এমপি প্রতিনিধি এমডি খাইরুল ইসলাম খান জনি, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইন্দ্রজিৎ টিকাদার, যুবদলের সদস্য সচিব বাহাদুর মুন্সী, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও বিএনপি নেতা মোল্লা সেলিম এবং এলজিইডির শাখা ব্যবস্থাপক সাহিদুর রহমান।
​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নদীবেষ্টিত বটিয়াঘাটা উপজেলার সদর বাজারসহ বিস্তীর্ণ এলাকা প্রতি বছরই নদীভাঙনের শিকার হচ্ছে। ভাঙনের করাল গ্রাসে শত শত পরিবার ভিটেমাটি হারিয়ে বাস্তুহারা হয়ে অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করছে। প্রতিনিয়ত নদীগর্ভে বিলীন হয়ে সংকুচিত হয়ে পড়ছে ঐতিহ্যবাহী উপজেলা সদর বাজার। অভিযোগ রয়েছে, বিগত সরকারের আমলে নদীভাঙন রোধে কার্যকরী ও স্থায়ী কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের মাঝে চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে নদীর পানির তীব্র স্রোত ও খরস্রোতার কারণে এই ভাঙন আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
​বিশেষ করে ১নং জলমা ইউনিয়নের জলমা ও কচুবুনিয়া—এই দুটি গ্রাম সম্পূর্ণভাবে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। গ্রাম দুটির কয়েক শত মানুষ ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি হারিয়ে সরকারি ওয়াপদা বেড়িবাঁধের পাশে খোলা আকাশের নিচে চরম অসহায়ত্বের মধ্য দিয়ে দিনাতিপাত করছেন। বছরের পর বছর ধরে সরকার পরিবর্তন হলেও বটিয়াঘাটার এই স্থায়ী অভিশাপ মোচনে দীর্ঘমেয়াদি কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
​তবে বর্তমান খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান তাঁর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নদীভাঙন রোধে অত্যন্ত তৎপর ভূমিকা পালন করছেন। তারই ধারাবাহিকতায় এবং তাঁরই বিশেষ উদ্যোগে এলজিইডির বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা বটিয়াঘাটা বাজার সদরের ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে কর্মকর্তারা ভাঙন রোধে দ্রুত অত্যন্ত কার্যকর ও টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণের দৃঢ় আশ্বাস ব্যক্ত করেন।
​উক্ত পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপি নেতা টুটুল গোলদার, সাবেক ইউপি সদস্য নূর আলম ভূঁইয়া, রবিউল ইসলাম রবি, হারুন শেখ ও মো. আব্দুল্লাহ বুলবুল প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd