নিজস্ব প্রতিবেদক
১১ মার্চ ২০২৬ (২১ রমজান) বুধবার বাদ আসর ৫:৩০ ঘটিকায় মাওলায়ে কায়েনাত, তরিকত,মারাফাত,হাকিকত, এহলে তাসাউফ এর সম্রাট, হায়দারে কাররার, মাওলা আলী, মুশকিল কুশা, শেরে খোদা, পাঞ্জাতনে পাক এর অন্যতম সদস্য,আলী ইবনে আবু তালিব (ইমাম হাসান ও হোসাইন এর পিতা ও মা ফাতেমা (সাঃ আঃ) এর স্বামী এবং রাসুল(সাঃ) এর আপন চাচাতো ভাই এবং প্রথম মুসলিম) উনার পবিত্র শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ ফাতিহা খানি ও দোয়া এবং ইফতারি মেহফিল “খানকাহ ফকির জহুর আল কাদরী ঢাকার বকশি বাজার খানকাহ শরিফে (১নং বকশি বাজার রোড) অনুষ্ঠিত হবে।
বিশেষ ফাতিহা খানি ও দোয়া এবং ইফতারি মেহফিলে দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করবেন, বকশি বাজার দরবার শরীফের বর্তমান গদীনশীন পীর, বিশিষ্ট সমাজসেবক, সুফি স্কলার, শীর্ষ ব্যবসায়ী, দানবীর, ফকীর শাহ্ সাঈদ আনওয়ার আল মোবারকী ক্বাদরী,চিশতি পীর কেবলা।
মেহফিলে সকল স্তরের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং খানকাহ শরীফের সকল মুরীদান ,অসংখ্য আশেকে রাসূল, বরেণ্য শিক্ষাবিদ, বিশিষ্ঠ ব্যাবসায়ী, সরকারের উচ্ছ পদস্থ কর্মকর্তা, সাংবাদিক, ওলামা মাশায়েক ও ভক্তরা অংশ গ্রহন করবেন ।
উক্ত পবিত্র মাহফিলে যোগদান করে নিজেকে ও নিজের আত্মাকে পবিত্র ও সৌভাগ্য ব্যক্তিদের কাতারে সামিল থাকার জন্য অনুরোধ করা হলো।
রাসূল (সাঃ) এরশাদ করেছেন, যে আলীকে ভালোবাসলো ও খুশি রাখল, সে আমাকেই খুশি রাখলো ও ভালোবাসলো । আলীকে দেখা ও স্মরণ করা উৎকৃষ্ট এবাদত অন্তর্ভুক্ত ]
মুমিন ব্যক্তি একমাত্র আলীকে ভালোবাসতে পারে, আর মুনাফিক কখনোই আলীকে ভালোবাসতে ও সম্মান করতে পারে না।
গত ৮৫ বছর যাবত এহলেবায়াত এর গোলামিতে নিয়োজিত,খানকাহ ফকির জহুর আল কাদরী খানকা শরীফ ]
বকশিবাজার দরবার শরীফ শুধু একটি আধ্যাত্মিক কেন্দ্রই নয়, বরং সুফিবাদের আলোকে ইসলামি মূল্যবোধ জাগ্রত করা এবং আর্তমানবতার সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। এ কারণে ইসলামি বর্ষপঞ্জির প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ দিবস এখানে বিশেষভাবে পালিত হয়।
শাহসূফী আল মোবারকী ক্বাদরী পরিচালিত খানকাহ্ ফকির জহুর আল ক্বাদরীতে প্রায় দীর্ঘ ৪ যুগের অধিক সময় ধরে প্রতিদিন প্রায় ৫ হাজার বার দরূদ শরীফ ও খতমে খাঁজেগান এবং প্রতি আরবী মাসে চাঁন্দের ১১ তারিখ বাদে এশা এগারো শরীফের আমল, মিলাদ ও কেয়াম শরীফের বরকতী আমল, হামদ ও নাঁত শরীফ, শানে বেলায়াত, বুর্দায়ে বড়পীর আব্দুল কাদির জিলানী, কাসিদায়ে খাজা গারিবে নেওয়াজ ও আশিকী কালামের মজলিশ প্রচলন রয়েছে।
উল্লেখ্য, আধ্যাতিক ও মানবতার অনন্য মূর্ত প্রতীক ফকির শাহ্ সাঈদ আনওয়ার মোবারকী আল ক্বাদরী, পীর, বকসিবাজার, খানকাহ্ শরীফ একজন সুফি স্কলার, শিল্পোদোক্তা ও মানবতার সেবক। “কেবল সেবা নয়, মানুষকে দাও তোমার হৃদয় এবং নি:স্বার্থ প্রেম। হৃদয়হীন সেবা নয়, তারা চায় তোমার অন্তরের স্পর্শ এরকম প্রেমের উক্তি যাঁর মুখেই কেবল সিমাবদ্ধ নয় ; যিনি আর্তমানবতার সেবায় মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে নিজকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন এবং নিজের উপার্জিত অর্থে প্রায় ৪ যুগ ধরে আধ্যাতিক ও মানবসেবার খেদমতে নিয়োজিত, চার তরিকার অনন্য মার্কাজ, খানকাহ ফকির জহুর আল কাদরী-এর বর্তমান পীরসাহেব কেবলা, ফকীর শাহ্ সাঈদ আনওয়ার মোবারকী আল ক্বাদরী হাফিজাহুল্লাহ। সারাবিশ্বের অসংখ্য মানুষের হৃদয়ে অমর হয়ে থাকবেন বিশিষ্ট সমাজসেবক, সুফি স্কলার, শীর্ষ ব্যবসায়ী, দানবীর, ফকীর শাহ্ সাঈদ আনওয়ার আল মোবারকী ক্বাদরী পীর কেবলা। তিনি সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ে যারা অবহেলিত, বঞ্চিত, অনাথ, তাদেরই বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা জুগিয়ে যাচ্ছেন এবং সাধারণ থেকে অসাধারণ হয়ে গড়ে উঠেতে আর্থিক, মানুষিক ও আধ্যাতিক সব রকমের সহযোগিতা করে যা”েছন। মানবিক সমাজ বিনির্মাণের প্রত্যয়ে কিছু মানুষ আছেন যাঁরা গড়ে উঠেন মানবিকতা পূর্ণ সমাজ গঠনের প্রত্যয়ে এবং কাজ করে যান নীরবে নিভৃতে। এমনই একজন বিরল মহামানব ফকীর শাহ্ সাঈদ আনওয়ার মোবারকী আল ক্বাদরী হাফিজাহুল্লাহ। আত্মপ্রচার নয়, আত্মতৃপ্তিই যাঁর মূল উদ্দেশ্য। মানবতার কল্যাণে নিজেকে কিভাবে বিলিয়ে দেয়া যায় তার এক উজ্জল দৃষ্টান্ত তিনি। কখনও ছুটে যান মাদরাসার এতিমদের পাশে আবার কখনও কোন দরিদ্র মানুষের ঘরে, পথে প্রান্তরে। প্রতিদিন ভাল কাজের পাশাপাশি অসংখ্য মেহমানকে সাথে নিয়ে খানা খাওয়া যাঁর নিত্যদিনের অভ্যাস। মানুষকে ভালবাসা ও মেহমানদারী করা তাঁর পরম আনন্দ, মানুষের কল্যাণই তাঁর ব্রত। উনাকে বাংলার মানবতার পায়রা তথা শান্তির দূত বলে অভিহিত করা যেতে পারে। সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে জড়িয়ে জীবনে তৃপ্তি খোঁজেন দেশের শীর্ষ উদ্ভাবক ও প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী, মানবতার ফেরিওয়ালা ফকীর শাহ্ সাঈদ আনওয়ার মোবারকী আল ক্বাদরী হাফিজাহুল্লাহ। শত কর্মব্যস্ততার পাশাপাশি নতুন-নতুন উদ্ভাবন করেও থেমে থাকেন নি তিনি। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণ, ছিন্নমূল পথশিশু ও রাস্তায় থাকা মানুষের বাসস্থান ও খাবারের ব্যব¯’া করতে থাকেন এই বাংলার মানবিক পীর সাহেব কেবলা। বহু বছর ধরে তিনি সামাজিক কর্মকাণ্ড ও মানবসেবায় বিশেষ অবদান রাখায় ইতোমধ্যে তাঁর ঝুলিতে জমা হয়েছে স্বর্ণপদকসহ অসংখ্য সম্মাননা স্মারক। করোনাকালীন স্বা¯’্য সুরক্ষায় মাক্স, হ্যান্ড গ্লাভস, হ্যান্ড ওয়াশ, হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণসহ ঘরে থাকা কর্মহীন মানুষ ও ভক্ত-মুরিদের জন্য প্রতিনিয়ত খাদ্য সরবরাহ করেছেন তিনি। ১ ঘন্টার জন্যও তাঁর খানকাহের মূল ফটক (মানুষের সমস্যা সমাধানে) বন্ধ করেন নি তিনি। ঢাকা আলীয়া মাদরাসা সংলগ্ন বকসিবাজার মোড়ে অবস্থিত ফকির শাহ্ সাঈদ আনওয়ার আল মোবারকী ক্বাদরী পরিচালিত খানকাহ্ ফকির জহুর আল ক্বাদরী।
পুরান ঢাকার বখশিবাজার এলাকায় অবস্থিত ‘খানকাহ-এ-মোবারকী’ বাংলাদেশের আধ্যাত্মিক সাধনা ও তরিকত চর্চার অন্যতম একটি প্রধান কেন্দ্র। মানুষের আত্মিক পরিশুদ্ধির (তাজকিয়া-এ-নাফস) লক্ষ্যে এই খানকাহ শরীফ কয়েক দশক ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এই আধ্যাত্মিক তপোবনের বর্তমান কান্ডারি হলেন প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন ও বিশিষ্ট পীর হযরত মাওলানা শাহ্ সুফি সাঈদ আনোয়ার মোবারকী (মা.জি.আ.)।

বখশিবাজার খানকাহ শরীফের মূল ভিত্তি হলো তরিকত ও শরীয়তের এক অপূর্ব সমন্বয়। এটি মূলত ‘সিলসিলা-এ-মোবারকী’-এর অনুসারীদের মিলনস্থল। এই খানকাহটি কেবল জিকির-আসকারের স্থান নয়, বরং দ্বীনি শিক্ষা ও সুফিবাদ চর্চার একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘ সময় ধরে এখানে চিশতিয়া, কাদরিয়া, নকশবন্দিয়া ও মুজাদ্দেদিয়া তরিকার সমন্বিত তালিম প্রদান করা হচ্ছে। ঢাকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শুরু করে সারা দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ আত্মিক শান্তি ও হেদায়েতের আশায় এখানে সমবেত হন।
খানকাহ শরীফের বর্তমান সাজ্জাদানশীন হযরত মাওলানা সাঈদ আনোয়ার মোবারকী (মা.জি.আ.) একজন ক্ষণজন্মা আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব। তিনি তার পূর্বসূরিদের উত্তরাধিকার বহন করে অত্যন্ত দক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে খানকাহ শরীফ পরিচালনা করছেন। তার পাণ্ডিত্য, সুমিষ্ট বয়ান এবং বিনয়ী আচরণ তাকে সব মহলে জনপ্রিয় করে তুলেছে। তিনি একাধারে একজন প্রখ্যাত বক্তা, লেখক এবং আধ্যাত্মিক রাহবার।
মেহফিলের সময়ঃ বাদ আসর ৫:৩০ ঘটিকায়, ২১রমজান,(১১ মার্চ বুধবার), ২০২৬ বকশি বাজার খানকাহ শরীফ, ঢাকা।
“খানকাহ ফকির জহুর আল কাদরী” (বকশি বাজার খানকাহ শরীফ)১ নং বকশি বাজার, ঢাকা।
পীর সাহেব কেবলা সেই দোয়া করেন যেন সকল মুরিদান নিজ নিজ সাধ্য অনুযায়ী অন্তরে মোহাব্বত, ইশক ও ভালোবাসা ভক্তি সহকারে এই পবিত্র মেহফিলে যোগদান করার তৌফিক আল্লাহপাক সবাইকে এনায়েত করেন।

By Md. Rejon Mia

দৈনিক জনকামনা (Daily JonoKamona)-এর সম্পাদক ও প্রকাশক। সত্য, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন এবং জনস্বার্থ প্রকাশে দৃঢ়ভাবে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। অনলাইন ও ডিজিটাল গণমাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে আসছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *