• রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম:
​‘দলের নীতি ও কার্যক্রমের সঙ্গে চলা সম্ভব নয়’: ঢাবি ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ কারাগারে ফিলিস্তিনি নেতা বারঘুতির ওপর পাশবিক নির্যাতন: লেলিয়ে দেওয়া হচ্ছে হিংস্র কুকুর জগন্নাথপুরে অল টাইম ক্লিনের প্রথম সাংগঠনিক টি-শার্ট উন্মোচন কবিতাঃ নারী অধিকার সংগঠন বিরোধী কার্যকলাপের প্রতিবাদে জগন্নাথপুর সাংবাদিক ফোরামের নিন্দা ফরিদপুরে সরকারি কার্ড দেওয়ার টোপ দিয়ে বিধবাকে ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্ত পলাতক এআই এবং সাংবাদিকতার ভবিষ্যৎ: আশীর্বাদ নাকি নতুন সংকট? তুরস্কের কাছে ১০০ কোটি ডলার ও সুন্দরী স্ত্রী দাবি উগান্ডার সেনাপ্রধানের, সম্পর্ক ছিন্নের হুমকি রমনা বটমূলে বোমা হামলার ২৫ বছর: এখনো ঝুলে আছে বিস্ফোরক মামলার বিচার পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৬ কর্মকর্তার কর্মস্থল পরিবর্তন: আইজিপি’র নির্দেশ

পিলখানা ট্র্যাজেডি: ‘প্রতিটি সেনা কর্মকর্তার মৃত্যু এক অসমাপ্ত মহাকাব্য’, শহিদদের রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর

Sabit Rizwan / ৩৮ Time View
Update : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক

(ছবি: সংগৃহীত)

​পিলখানায় বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের ১৭ বছর পূর্ণ হলো। এই শোকাবহ দিনটিকে ‘জাতীয় সেনা দিবস’ হিসেবে পালনের মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো পিলখানায় শাহাদতবরণকারী সেনা কর্মকর্তাদের কবরে রাষ্ট্রীয়ভাবে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

​বনানীতে রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা ও মোনাজাত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর কিছুক্ষণ পর সেখানে উপস্থিত হন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শহিদ সেনা কর্মকর্তাদের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে তাঁদের বীরত্বগাথা স্মরণ করেন। এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে এবং বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে। এরপর তাঁরা শহিদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।

​প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আবেগঘন বক্তব্য বিকেলে শহিদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে এক মতবিনিময় ও ইফতার মাহফিলে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে তিনি বলেন, “পিলখানার ঘটনায় ৫৭ জন মেধাবী সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন দেশপ্রেমিককে আমরা হারিয়েছি। প্রতিটি সেনা কর্মকর্তার মৃত্যু আসলে একটি স্বপ্নের অসমাপ্ত মহাকাব্য। গত ১৭ বছর আপনারা বিচারের আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন, কিন্তু সেই নিদারুণ যন্ত্রণা কেউ লাঘব করেনি।”

​তিনি আরও বলেন, “আমি কেবল একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে নয়, একজন সেনা পরিবারের সদস্য হিসেবে আপনাদের সামনে দাঁড়িয়েছি। পিলখানার ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা না দিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা করবে না। আমাদের সরকার সেনাবাহিনী ও আপনাদের সঙ্গে আলোচনা করে ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির স্মৃতিকে অম্লান রাখতে বিশেষ উদ্যোগ নেবে।”

​নিরাপত্তা ও সীমান্ত রক্ষায় নতুন অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, “পিলখানার ঘটনা ছিল আমাদের সার্বভৌমত্ব নস্যাতের এক গভীর অপপ্রয়াস। এই ঘটনার পর আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোর যে দুর্বলতা ফুটে উঠেছে, তা দূর করতে আমরা কাজ করছি। সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে আরও সুসংহত ও আধুনিক করা হবে।”

​শহিদ পরিবারের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা শহিদ পরিবারের সন্তানদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, জনগণের রায়ে নির্বাচিত সরকার শহিদদের এই সর্বোচ্চ ত্যাগের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে বদ্ধপরিকর।

​অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, বিজিবি মহাপরিচালক এবং শহিদ পরিবারের সদস্যরা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd