• রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৪৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম:
​‘দলের নীতি ও কার্যক্রমের সঙ্গে চলা সম্ভব নয়’: ঢাবি ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ কারাগারে ফিলিস্তিনি নেতা বারঘুতির ওপর পাশবিক নির্যাতন: লেলিয়ে দেওয়া হচ্ছে হিংস্র কুকুর জগন্নাথপুরে অল টাইম ক্লিনের প্রথম সাংগঠনিক টি-শার্ট উন্মোচন কবিতাঃ নারী অধিকার সংগঠন বিরোধী কার্যকলাপের প্রতিবাদে জগন্নাথপুর সাংবাদিক ফোরামের নিন্দা ফরিদপুরে সরকারি কার্ড দেওয়ার টোপ দিয়ে বিধবাকে ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্ত পলাতক এআই এবং সাংবাদিকতার ভবিষ্যৎ: আশীর্বাদ নাকি নতুন সংকট? তুরস্কের কাছে ১০০ কোটি ডলার ও সুন্দরী স্ত্রী দাবি উগান্ডার সেনাপ্রধানের, সম্পর্ক ছিন্নের হুমকি রমনা বটমূলে বোমা হামলার ২৫ বছর: এখনো ঝুলে আছে বিস্ফোরক মামলার বিচার পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৬ কর্মকর্তার কর্মস্থল পরিবর্তন: আইজিপি’র নির্দেশ

‘বাংলাদেশে জন্ম আমার—এই ভেবে লজ্জিত’: কেঁদে ভেঙে পড়লেন সাবিত রিজওয়ান

তুফান ইনিস্টিউট / ১০৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে হতাশা থেকে কান্নায় ভেঙে পড়লেন লেখক ও চিন্তাশীল নাগরিক সাবিত রিজওয়ান। কেঁদে কেঁদে তিনি বলেন, “বাংলাদেশে জন্ম আমার—এই ভেবে আমি সত্যি লজ্জিত বোধ করি।” তার এই বক্তব্য মুহূর্তেই উপস্থিত মানুষদের নীরব করে দেয়।

ঘটনার সময় সাবিত রিজওয়ান ছিলেন গভীর মানসিক চাপে। দেশের চলমান পরিস্থিতি, সামাজিক বৈষম্য, ন্যায়বিচারের অভাব এবং মানবিক মূল্যবোধের ক্রমাগত অবক্ষয় তাকে ভেতর থেকে নাড়িয়ে দিয়েছে বলে জানান তিনি। আবেগ ধরে রাখতে না পেরে অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে তিনি বলেন, “এই দেশটা আমার, অথচ এই দেশের বাস্তবতা আমাকে প্রতিদিন ছোট করে দিচ্ছে।”

তার বক্তব্যে উঠে আসে সাধারণ মানুষের কষ্ট, শ্রমের অবমূল্যায়ন, মতপ্রকাশের সংকট এবং নৈতিক অবক্ষয়ের প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, “যেখানে সত্য বললে ভয়, অন্যায় দেখেও চুপ থাকতে হয়—সেখানে জন্ম নিয়ে গর্ব করা কঠিন হয়ে পড়ে।”

সাবিত রিজওয়ানের এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই তার অনুভূতির সঙ্গে একমত প্রকাশ করেছেন, আবার কেউ কেউ একে চরম হতাশার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এই কান্না কোনো ব্যক্তিগত দুর্বলতা নয়; এটি একটি সময়ের সামাজিক মনস্তত্ত্বের প্রতিফলন।

একজন সমাজবিজ্ঞানী বলেন, “যখন একজন সচেতন মানুষ প্রকাশ্যে এমন কথা বলেন, তখন সেটি উপেক্ষা করার বিষয় নয়। এটি রাষ্ট্র, সমাজ এবং আমাদের সম্মিলিত দায়বদ্ধতার প্রশ্ন তুলে ধরে।”

সাবিত রিজওয়ানের কান্না হয়তো একক কোনো ঘটনার প্রতিক্রিয়া নয়। এটি সেই দীর্ঘশ্বাস, যা বহু মানুষের মনে জমে আছে, কিন্তু সবাই প্রকাশ করতে পারে না। তার কথাগুলো তাই শুধু ব্যক্তিগত আবেগ নয়—এটি সময়ের একটি কঠিন সাক্ষ্য।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd