নরসিংদী  প্রতিনিধি:

জাতীয় সংসদে দেশের জন্য গুরত্বপুর্ন: আলোচনা করে সেই ভাইরাল সৎ সাহসি জনপ্রিয় নেতা ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল এমপিকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর কাছে জাতীয় ও স্থানীয়রা পর্যায়ের দলীয় নেতাকর্মীরা জোর দাবি জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার ঝড় তুলেছেন। তার জন্য নামাজ পড়ে রোজা মানত করছেন নারী পুরুষরা ।
বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর আস্থাবাজন নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল দ্বায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই পালটে যাচ্ছে রায়পুরার দৃশ্যপট। তিনি দ্বায়িত্ব নিয়েই জাতীয় সংসদে সমবন্টন নীতি চালু, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, চাঁদাবাজী বন্ধ, মাদক নির্মূলসহ সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করে দেশ-বিদেশে অনেক সমাদৃত হয়েছেন। চরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বন্ধ করে এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা রাখছেন। এছাড়া এলাকার উন্নয়নে মহাপরিকল্পনা গ্রহন করায় দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে তাকে নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে। তাই কেন্দ্রীয় বিএনপির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও নরসিংদী-৫ আসনের এই সংসদ সদস্যকে মন্ত্রী করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর কাছে দলীয় নেতাকর্মীরাসহ স্থানীয়রা জোর দাবি জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরব রয়েছেন। ইতিমধ্যে তিনি রায়পুরাসহ দেশের জনগণের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় জাতীয় সংসদে ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরে দেশবাসীর কাছে প্রসংশায় ভাসছেন। এছাড়া নীতি ও আর্দশের জন্য সাবেক এই ছাত্রনেতা ইতিমধ্যে দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রতিনিয়ত সংর্বধনা পাচ্ছেন। বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর আস্থাবাজন হিসেবে হাইকমান্ড নির্দেশ মোতাবেক বিগত ১৭ বছর বিএনপি আমরা পরিবার সংগঠনের মাধ্যমে মন ওঝার করে দলের নেতাকর্মীদেরকে ব্যাপক সাহায্য সহযোগিতা করে দানবীর হিসেবে ক্যাতি অর্জন করেছেন। তার জন্য নারী পুরুষ নামাজ পড়ে রোজা মানত করছেন। তিনি এমপি হয়ে সারা বাংলাদেশের মধ্যে অন্য রকম দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
জানা গেছে, নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার চরের শতবছরের দুই গ্রুপের লেগে থাকা সংঘাত নিরশন, বাজেট বরাদ্ধ, ন্যায় নীতি ও সুশাসন প্রতিষ্টাসহ সচ্ছ জবাবদিহিতামুলক উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করে দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারন মানুষের কাছে ব্যাপক গ্রহনযোগ্যতা পেয়েছেন। এছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে কোন দুর্নীতি-অনিয়ম ও পক্ষপাত্বিতের অভিযোগ না থাকায় এলাকায় তিনি ক্লিন ইমেজের নেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। তিনি তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের জন্য সব সময় উন্মুক্তভাবে কাজ করায় সব শ্রেণির মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হচ্ছেন। রায়পুরার চরাঞ্চল থেকে শুরু করে মূল ভূখণ্ডের যেকোনো প্রান্তের মানুষ তাঁর কাছে সহজে পৌছাতে পারেন। দলের প্রতি আনুগত্য ও দলীয় অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিরসনে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখতে সব সময় অভিভাবকের মতো দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেন। ফলে তিনি শুধু কেবল একজন রাজনীতিবিদই নন, ন্যায়নীতি, আদশ, মেধা ও প্রজ্ঞা দিয়ে তিনি সারা দেশের মধ্যে অন্যরকম দৃষ্টান্ত স্থাপন করে যাচ্ছেন। ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল এমপির-এর নেতৃত্বে চরাঞ্চলের আওয়ামী লীগের আমলের শতশত বাড়ীঘর ভাংচুর লুটপাটসহ দুই গ্রুপের দীর্ঘদিনের বিরোধ নিরসন করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগকে দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারন মানুষ ইতিবাচক ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। ওই এলাকায় সংঘর্ষের স্থায়ী অবসান ঘটে চরাঞ্চলে শান্তি ফিরে আসায় সাধারণ মানুষের কাছে তিনি এখন “শান্তির দূত” হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। তার এই নিরপেক্ষ ভূমিকায় চরাঞ্চলের শত শত পরিবার আবার নিজ বাড়িতে ফিরে স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন। দলমত নির্বিশেষে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে পুলিশ প্রশাসনকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছেন। প্রমাণ করেছেন, রায়পুরাকে একটি মডেল ও শান্ত জনপদে রূপান্তর করাই তার মূল লক্ষ্য। তিনি এলাকায় শিক্ষার হার বাড়াতে সব ধরনের সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। প্রতিশ্রুতি মোতাবেক বহু স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও মসজিদের পাশাপাশি হাটবাজারের অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। তাই দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারন মানুষ তাকে এলাকার উন্নয়নের দিকপাল হিসেবেই দেখেছেন।
ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল-এমপি বলেন, আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা দেশনায়ক ও মাননীয় মানবিক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুযোগ্য ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ সমৃদ্ধি, উন্নয়ন এবং গণতন্ত্রের পুনর্জাগরণের পথে এক নতুন যাত্রা শুরু করেছে। আজ আমরা এক নতুন বাংলাদেশের রক্তিম সূর্যাস্তের মুখোমুখি—এক নতুন ভোরের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছি। রায়পুরার আপামর দেশপ্রেমিক জনগণ তাঁদের অকৃত্রিম ভালোবাসা ও আস্থা রেখে আমাকে জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করার দুর্লভ সুযোগ দিয়েছেন। এই পবিত্র দায়িত্বের প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা রেখে বিনীতভাবে বলতে চাই—রায়পুরার চরাঞ্চলসহ সমগ্র বাংলাদেশের কাঙ্ক্ষিত ও টেকসই উন্নয়ন বাস্তবায়নে আমি যেকোনো দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত।আজকের আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে মেধা ও প্রযুক্তিভিত্তিক দক্ষতার কোনো বিকল্প নেই। একজন প্রকৌশলী হিসেবে, দেশনায়ক তারেক রহমানের ‘স্মার্ট ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ’ রূপকল্প বাস্তবায়নে জাতীয় অবকাঠামো, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি এবং আধুনিক ডিজিটাল নেটওয়ার্ক গঠনে আমি আমার সর্বোচ্চ কারিগরি মেধা প্রয়োগে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মাঠপর্যায়ের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও মানুষের সাথে সরাসরি মেলবন্ধন আমাকে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুখ-দুঃখের সাথে গভীরভাবে যুক্ত করেছে। রায়পুরার মতো ঐতিহ্যবাহী ও সম্ভাবনাময় অঞ্চলকে আধুনিক মডেল জনপদে রূপান্তরের পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ে প্রশাসনিক দক্ষতা, অভিজ্ঞা ও সঠিক পরিকল্পনার সমন্বয়ের মাধ্যমে উন্নয়নমূলক কাজ করে দেশকে ভাল কিছু উপহার দিতে হবে । মন্ত্রিত্ব কেবল কোনো পদ-পদবি বা ক্ষমতার অলংকার নয়; এটি ১৬ কোটি মানুষের আমানত এবং সেবা করার এক মহান সুযোগ। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি—স্বচ্ছতা ও সততা: প্রশাসনিক প্রতিটি ক্ষেত্রে দুর্নীতিমুক্ত ও আধুনিক ব্যবস্থার প্রতিফলন ঘটাতে নিজেকে তৈরি করতে সক্ষম আছি দেশ-বিদেশি সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে দেশ পরিচালানা কাজে সাহসি ভুমিকা রাখতে অনেক পরিকল্পনা গ্রহন করছি । পরিকল্পিত উন্নয়ন শিক্ষা, স্বাস্থ্য,যোগাযোগ ও অবকাঠামো খাতের টেকসই রূপান্তর নিশ্চিত করতে বন্ধপরিকর আছি। দেশনায়কের দূরদর্শী রূপকল্প: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা দেশের তৃণমূলে পৌঁছে দিতে আমি দিনরাত কাজ করে যাবো এবং দূর্নীতি,অনিয়ম,সন্ত্রাস,মাদক সহ সকল ধরনের সন্ত্রাসী সহ অসাজিক কর্মকান্ড প্রতিহত করতে কোন ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যদি এই নতুন পথচলায় আমাকে জাতীয় মন্ত্রিসভায় দেশসেবার কোনো দায়িত্ব অর্পণ করেন, তবে আমার মেধা, অভিজ্ঞতা ও সততা দিয়ে রায়পুরাসহ সমগ্র বাংলাদেশের মানুষের আস্থার প্রতিদান দিতে সারা দেশের মধ্যে অন্য রকম দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারবো শতভাগ আশাবাদী।