
মোঃ মনজুর আলম, স্টাফ রিপোর্টার:
জাল ও ভুয়া দলিলের মাধ্যমে জমি লিখে না দিলে অপহরণ, খুন-জখমসহ বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে একটি প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে। নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে এবং জালিয়াত চক্রের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার দাবিতে বটিয়াঘাটা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী চনক মন্ডল ওরফে বিশ্বাস। তিনি উপজেলার হোগলবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
গতকাল (অথবা সংবাদ সম্মেলনের তারিখ দিন) প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে চনক মন্ডল বলেন, তারা চার ভাই। বড় ভাই অসীম বিশ্বাস ওরফে মন্ডলের কাছেই তাদের পারিবারিক জমিজমার সমস্ত মূল কাগজপত্র সংরক্ষিত থাকত। বড় ভাইয়ের প্রতি অন্ধ বিশ্বাস ও আস্থার কারণে তার কথামতো বিভিন্ন সময়ে দুটি পাওয়ার অব অ্যাটর্নি (আমমোক্তারনামা) দলিল সম্পাদন করেন তিনি (দলিল নং- ৩৩৩২/২০১৯ ও ৯৮৬৫/২০২১)।
ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, উক্ত পাওয়ারের আওতাভুক্ত জমি পূর্বেই বিক্রি হয়ে গেছে। তা সত্ত্বেও তার বড় ভাই অসীম মন্ডল ওরফে বিশ্বনাথ, সহযোগী মিরাজ ও মাহবুবের পক্ষে উক্ত জমি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য চনক মন্ডলের ওপর ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করে আসছেন। শুধু তাই নয়, চক্রটি জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে আরও কিছু ভুয়া দলিল তৈরি করেছে বলেও তিনি দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে চনক মন্ডল আরও জানান, তিনি পাওয়ার গ্রহণকারীদের কাছ থেকে কোনো প্রকার আর্থিক লেনদেন বা অর্থ গ্রহণ করেননি। সম্পূর্ণ প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে এই দলিলগুলো ব্যবহার করা হচ্ছে। বর্তমানে জালিয়াতির বিষয়টি বুঝতে পেরে এবং বাধ্য হয়ে তিনি উক্ত দুটি বিতর্কিত পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বাতিলের দাবিতে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন (মামলা নম্বর- ১১০/২০২৬)।
মামলা করার পর থেকেই বিবাদী ও তাদের সহযোগীরা চনক মন্ডলকে জমি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। জমি না দিলে তাকে অপহরণ, খুন-জখমসহ বড় ধরনের ক্ষতি করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ভুক্তভোগী চনক মন্ডল নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এই জালিয়াতি চক্রের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ রেজন মিয়া। সহ-সম্পাদক: মোঃ মাইদুল ইসলাম। লাইব্রেরি: তুফান ইনিস্টিউট। কার্যালয়: মিঠাপুকুর, রংপুর।
© ২০২৬ সময়প্রবাহ। লেখার দায় লেখকের; স্বত্ব কর্তৃপক্ষের। ভুল বা বিতর্কে কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।