নিজস্ব প্রতিবেদক
সাম্প্রতিক একটি আলোচিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে নুরুল আফসার সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক মন্তব্যে প্রশ্ন তুলেছেন, আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা উচিত কার অধিকার এবং কার দায়।
তিনি লিখেছেন, “এই মেয়ের অধিকার আদায়ে জামায়াত-শিবিরের একটা আন্দোলনও দুই চোখে দেখিনি! বিচার কি ৩টি ছেলের জন্য চাইবি নাকি এই মেয়ের জন্য চাইবি?”
তার এই বক্তব্যের পর সামাজিক পরিসরে দুটি ভিন্ন মত সামনে এসেছে। এক পক্ষ বলছে, কোনো নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ সংঘটিত হলে তার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই প্রধান বিষয় হওয়া উচিত। অন্য পক্ষের দাবি, ঘটনার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কী ঘটেছে, সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকের ভূমিকা কী ছিল, সেটিও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।
পর্যবেক্ষকদের মতে, কোনো ঘটনায় একজন ব্যক্তি স্বেচ্ছায় কারও সঙ্গে দেখা করতে গেছেন কি না, কোথাও গেছেন কি না, এসব প্রশ্ন তদন্তের অংশ হতে পারে। তবে সেই তথ্যগুলো কখনোই জোরজবরদস্তি, ভয়ভীতি প্রদর্শন বা আইনবহির্ভূত আচরণের বৈধতা দেয় না। একইভাবে, অভিযোগকারীর বক্তব্যও যাচাইয়ের ঊর্ধ্বে নয়; সেটিও তদন্তের মাধ্যমে পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
আইনজ্ঞদের ভাষ্য, ন্যায়বিচার তখনই প্রতিষ্ঠিত হয় যখন আবেগ, রাজনৈতিক পরিচয় বা সামাজিক চাপের বাইরে গিয়ে ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হয়। কেউ অপরাধ করলে তার জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে, আবার অভিযোগের ক্ষেত্রেও সত্যতা যাচাই করতে হবে।
নুরুল আফসারের মন্তব্য সেই বৃহত্তর প্রশ্নটিকেই সামনে এনেছে: বিচার মানে শুধু শাস্তি নয়, বরং ঘটনার সম্পূর্ণ সত্য উদঘাটন এবং সংশ্লিষ্ট সবার ভূমিকা নিরপেক্ষভাবে মূল্যায়ন করা।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ রেজন মিয়া। সহ-সম্পাদক: মোঃ মাইদুল ইসলাম। লাইব্রেরি: তুফান ইনিস্টিউট। কার্যালয়: মিঠাপুকুর, রংপুর।
© ২০২৬ সময়প্রবাহ। লেখার দায় লেখকের; স্বত্ব কর্তৃপক্ষের। ভুল বা বিতর্কে কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।