নিজস্ব প্রতিবেদক
“আসুন আমরা রংপুরবাসী আওয়াজ তুলি, রংপুরে নো বাজেট নো কর... পাকিস্তান থেকে যে ভাবে আলাদা হয়েছিল বাংলাদেশ, ঠিক আমরাও হবো আলাদা বাংলাদেশ থেকে”—এমন একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
বক্তব্যটির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে রংপুর অঞ্চলের উন্নয়ন, বাজেট বরাদ্দ এবং দীর্ঘদিনের বৈষম্যের অভিযোগ। যারা এ ধরনের বক্তব্য সমর্থন করছেন, তাদের দাবি রংপুর দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় উন্নয়ন ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত গুরুত্ব পায়নি। ফলে ক্ষোভ ও হতাশা থেকেই এমন প্রতিক্রিয়া সামনে আসছে।
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আঞ্চলিক বৈষম্য নিয়ে প্রশ্ন তোলা এবং অধিক উন্নয়ন দাবি করা গণতান্ত্রিক অধিকারের অংশ হলেও, বিচ্ছিন্নতার আহ্বান একটি ভিন্ন ও সংবেদনশীল বিষয়। তাদের ভাষ্য, দেশের যেকোনো অঞ্চলের উন্নয়নসংক্রান্ত অসন্তোষের সমাধান রাজনৈতিক সংলাপ, নীতিগত পরিবর্তন এবং ন্যায্য সম্পদ বণ্টনের মাধ্যমে হওয়া উচিত।
রংপুরের উন্নয়ন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন মহল থেকে আলোচনা হয়ে আসছে। অবকাঠামো, কর্মসংস্থান, শিল্পায়ন এবং সরকারি বিনিয়োগের মতো বিষয়গুলো প্রায়ই জনপরিসরে উঠে আসে। অনেকেই মনে করেন, এসব বাস্তব সমস্যার সমাধানই আঞ্চলিক ক্ষোভ কমানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায়।
পর্যবেক্ষকদের মতে, এই বক্তব্য মূলত রংপুরবাসীর একাংশের হতাশা ও বঞ্চনার অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা যেতে পারে। তবে দেশের সাংবিধানিক কাঠামো ও জাতীয় ঐক্যের প্রশ্নে অধিকাংশ রাজনৈতিক শক্তিই সংলাপ ও উন্নয়নকেই সমাধানের পথ হিসেবে গুরুত্ব দিয়ে থাকে।
সামগ্রিকভাবে, এই বক্তব্য আবারও রংপুরের উন্নয়ন, বাজেট বণ্টন এবং আঞ্চলিক ভারসাম্যের প্রশ্নকে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ রেজন মিয়া। সহ-সম্পাদক: মোঃ মাইদুল ইসলাম। লাইব্রেরি: তুফান ইনিস্টিউট। কার্যালয়: মিঠাপুকুর, রংপুর।
© ২০২৬ সময়প্রবাহ। লেখার দায় লেখকের; স্বত্ব কর্তৃপক্ষের। ভুল বা বিতর্কে কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।