
আয়াত উল্ল্যাহ, ঢাকা:
ভারত কর্তৃক বাংলাদেশে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও জোরপূর্বক ‘পুশইন’-এর চেষ্টার প্রতিবাদে এবং ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে রাজধানী ঢাকায় এক বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ৯ জুন ২০২৬, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে নবগঠিত জাতীয়তাবাদী প্ল্যাটফর্ম ‘বাংলাদেশ মঞ্চ’-এর উদ্যোগে এই সমাবেশ ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়。
‘জেগে ওঠো বাংলার জনগণ, রুখে দাও ভারতীয় আগ্রাসন’—এই মূল স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মঞ্চের আহ্বায়ক ফুয়াদ সাকি।
সমাবেশে ফুয়াদ সাকি ভারতের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, "বাংলাদেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে জোরপূর্বক পুশইনের যে নীল নকশা ভারত তৈরি করেছে, এ দেশের জনগণ তা কোনোভাবেই বরদাশত করবে না। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং সীমান্তে সাধারণ নাগরিকদের ওপর নির্যাতন-হত্যা বন্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।" তিনি বর্তমান সরকারকে ভারতের এই আগ্রাসী নীতির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মহলে কড়া প্রতিবাদ জানানোর দাবি জানান।
বিক্ষোভকারীদের প্ল্যাকার্ডে তীব্র ক্ষোভ
সমাবেশে উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের হাতে ভারতের আধিপত্যবাদী নীতির বিরুদ্ধে নানা স্লোগান সংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। সেখানে লেখা ছিল:
"সীমান্তে সন্ত্রাস, অযাচিত সংঘাত"
"মুজিব থেকে জিয়ার কবর রচনা, ভারতের নীল নকশা পরিকল্পনা" "অবৈধ পুশইন, ভারত মুর্দাবাদ"
"রুখে দাও প্ল্যান, রুখে দাও পুশইন"
"ভারতীয় অনুপ্রবেশ ছড়াবে গ্যাংগ্রিন"
সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল জাতীয় প্রেস ক্লাবের চারপাশের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি অনতিবিলম্বে সীমান্ত হত্যা ও পুশইনের মতো অপচেষ্টা বন্ধ করা না হয়, তবে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত তীব্র গণ-আন্দোলন গড়ে তোলা হবে。 তারা দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিজিবি)-কে এই অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সর্বদা কঠোর অবস্থানে থাকার জন্য সাধুবাদ জানান এবং দেশপ্রেমিক জনতাকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ রেজন মিয়া। সহ-সম্পাদক: মোঃ মাইদুল ইসলাম। লাইব্রেরি: তুফান ইনিস্টিউট। কার্যালয়: মিঠাপুকুর, রংপুর।
© ২০২৬ সময়প্রবাহ। লেখার দায় লেখকের; স্বত্ব কর্তৃপক্ষের। ভুল বা বিতর্কে কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।