সাবিত রিজওয়ান
আমি তাদের বদনাম করিনি। শুধু বলেছি, আমার পক্ষ থেকে তাদের করা নির্বাচনকে আমি স্বীকৃতি দিইনি। আমি সরলভাবে চলি, হয়তো সেই কারণেই তারা আমাকে গুরুত্ব দেয়নি। তবে আমার কয়েকটি আর্টিকেল যে এত দ্রুত তাদের মনে আঘাত করবে, সেটা আমার ধারণার বাইরে ছিল।
আমি তাদের কাছে ক্ষমা চেয়েছি, কিন্তু তারা এখনো ক্ষমা করেনি। হয়তো কিছুটা অভিমান নিয়েই তারা নিজেদের মতো পথ চলেছে। এই অভিমানই তাদের ভেতরে কিছুটা অশান্তির কারণ হয়ে আছে বলে আমার মনে হয়।
আমার চাওয়া ছিল, সামাজিক সংগঠনটি যেন রাজনৈতিকভাবে পরিচালিত না হয়। আলহামদুলিল্লাহ, সেটি পুরোপুরি না হলেও মোটামুটি সেই দিকেই ছিল। কিছু ছায়া পড়েছিল, তবে সেটাকে আমি মঙ্গলজনক বলেই মনে করেছি।
একটা মানুষ ভালোবাসার অভাবে অসুখী হয়ে যায়, আবার কেউ নিজের মতো চলেও সুখ খুঁজে পায়। আমরা অনেক সময় লাফালাফি বা দৌড়ানোকে গতি মনে করি, কিন্তু আসল গতি কী: তা নিয়ে সবার দৃষ্টিভঙ্গি এক নয়।
আমি আবারও ক্ষমা চাইছি। তোরা আমার বন্ধু, আর আমাদের মাঝে ছোটখাটো ভুল বোঝাবুঝি হতেই পারে। তাই বলে তোরা আমাকে পর করে দিবি: এটা আমি মানতে পারি না।
তোরা যেভাবে SCF-কে এগিয়ে নিয়ে গেছিস, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। হয়তো ঠিকভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারিনি, কিন্তু সেটা আমার মনের ভেতর আছে।
একটা কথা বলতে চাই, কিছু মানুষের কথায় প্রভাবিত হয়েই আমি লিখতে সাহস পেয়েছিলাম। তবুও, আমি আবারও সেই সামাজিক সংগঠনটির কাছে ক্ষমা চাইছি, যার নামের সাথে আমি ‘চেতনা’ শব্দটি যুক্ত করেছি। দায় আমার, তাই ক্ষমাও আমাকেই আগে চাইতে হচ্ছে।
তোরা আমাকে ভুল বুঝিস না। যদি সত্যিই আমাকে পর মনে করে থাকিস, তাহলে আমাকে ক্ষমা না করলেও আমি কিছু বলব না। কিন্তু আমার কাছে তোরা এখনো সেই আগের মতোই বন্ধু। আমি এখনো আশা করি, আমাদের মাঝে ভালোবাসা অটুট থাকবে।
ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও ক্ষমা করা উত্তম, এটা আমরা সবাই জানি।
আমি মেনে নিয়েছি, আমাদের ফাউন্ডেশনটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ৮ ডিসেম্বরই পালন করা হবে। এখন থেকে SCF-কে পরিচিত করতে আমি নিজেও প্রচারণা চালাবো। আগে অভিমানের কারণে সেটা করিনি।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ রেজন মিয়া। সহ-সম্পাদক: মোঃ মাইদুল ইসলাম। লাইব্রেরি: তুফান ইনিস্টিউট। কার্যালয়: মিঠাপুকুর, রংপুর।
© ২০২৬ সময়প্রবাহ। লেখার দায় লেখকের; স্বত্ব কর্তৃপক্ষের। ভুল বা বিতর্কে কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।