নিজস্ব প্রতিবেদক:
২০২৪ সালের আ.লীগ সরকারের পতনের কয়েক মাস পর জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র কিছু সদস্য এবং কিছু বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক চাঁদাবাজির অভিযোগে জড়িত থাকার খবর পাওয়া গেছে। অভিযোগ অনুসারে, কিছু উপদেষ্টাও কৌশলে তাদের কার্যকলাপে সহযোগিতা করেছেন।
এনসিপি সদস্যরা রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে অর্থ দাবি ও চাঁদাবাজি চালানোর অভিযোগে জড়িত। একইসঙ্গে, কিছু ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করাও এই কার্যকলাপে জড়িত ছিলেন। উপদেষ্টাদের সহায়তায় তারা কার্যকলাপটি আড়াল করতে পারছিল।
এই চাঁদাবাজি সাধারণ মানুষের জন্য উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, যারা প্রতিবাদ করেছেন, তাদের উপর হুমকি প্রয়োগ করা হয়েছে এবং অর্থ দাবি করা হয়েছে। এতে সামাজিক আস্থা ক্ষুণ্ণ হচ্ছে এবং স্থানীয় পর্যায়ে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বচ্ছতা হুমকির মুখে পড়ছে।
পদক্ষেপ না নেওয়া হলে, রাজনৈতিক পরিচয় ও সমন্বয়কের অবস্থান ব্যবহার করে অপরাধকে আড়াল করার প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে। সামাজিক ক্ষতি এবং আন্দোলনের নৈতিকতার ওপর এর প্রভাব দীর্ঘমেয়াদী হতে পারে।
এনসিপি এবং ছাত্র আন্দোলনের সংশ্লিষ্ট পক্ষকে তাদের সদস্য এবং সমন্বয়কের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় সাধারণ মানুষই এই ধরনের কর্মকাণ্ডের শিকার হতে থাকবে এবং সামাজিক ন্যায়বিচার ও আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ রেজন মিয়া। সহ-সম্পাদক: মোঃ মাইদুল ইসলাম। লাইব্রেরি: তুফান ইনিস্টিউট। কার্যালয়: মিঠাপুকুর, রংপুর।
© ২০২৬ সময়প্রবাহ। লেখার দায় লেখকের; স্বত্ব কর্তৃপক্ষের। ভুল বা বিতর্কে কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।